মোশারফ হোসেন লিটন সুনামগঞ্জ)
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশের জেরে মো. জহিরুল ইসলাম সানি নামে এক সাংবাদিককে মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক দোয়ারাবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জহিরুল ইসলাম
সানি জাতীয় দৈনিক ‘আজকের স্বদেশ’ পত্রিকার দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রতিনিধি এবং দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর দোয়ারাবাজার উপজেলার বাঘমারা এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। অভিযানে চারজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় সাংবাদিক সানিসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করেন এবং পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই
স্থানীয় একটি বালু উত্তোলনকারী চক্র তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ সেপ্টেম্বর বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে নানা’র কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলযোগে বাঘমারা যাওয়ার পথে ধরমপুর মসজিদের মোড়ে পৌঁছালে বাক্কার মিয়া (৩২) ও কুদ্দুছ মিয়া (৩০) দেশীয় অস্ত্র, রুইল ও লাঠিসোটা নিয়ে তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিক সানি। এ সময় তাঁর চিৎকার-চেঁচামেচিতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। অভিযোগে আরও বলা হয়, যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা তাঁকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে—ভবিষ্যতে তাদের অবৈধ বালু ব্যবসা বা অন্য কোনো অপকর্ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে কিংবা আইনের আশ্রয় নিলে সুযোগ বুঝে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করা হবে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম সানি দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন। এ ঘটনায় দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ও সাধারণ
সম্পাদক এম এ মোতালিব ভুইয়া সহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, সাংবাদিকরা সত্য ও জনস্বার্থের সংবাদ প্রকাশ করবেন—এটাই তাদের দায়িত্ব। সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে কোনো সাংবাদিককে হামলার চেষ্টা বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
ঘটনার বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশের জেরে মো. জহিরুল ইসলাম সানি নামে এক সাংবাদিককে মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক দোয়ারাবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জহিরুল ইসলাম
সানি জাতীয় দৈনিক ‘আজকের স্বদেশ’ পত্রিকার দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রতিনিধি এবং দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর দোয়ারাবাজার উপজেলার বাঘমারা এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। অভিযানে চারজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় সাংবাদিক সানিসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করেন এবং পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই
স্থানীয় একটি বালু উত্তোলনকারী চক্র তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ সেপ্টেম্বর বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে নানা’র কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলযোগে বাঘমারা যাওয়ার পথে ধরমপুর মসজিদের মোড়ে পৌঁছালে বাক্কার মিয়া (৩২) ও কুদ্দুছ মিয়া (৩০) দেশীয় অস্ত্র, রুইল ও লাঠিসোটা নিয়ে তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিক সানি। এ সময় তাঁর চিৎকার-চেঁচামেচিতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। অভিযোগে আরও বলা হয়, যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা তাঁকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে—ভবিষ্যতে তাদের অবৈধ বালু ব্যবসা বা অন্য কোনো অপকর্ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে কিংবা আইনের আশ্রয় নিলে সুযোগ বুঝে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করা হবে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম সানি দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন। এ ঘটনায় দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ও সাধারণ
সম্পাদক এম এ মোতালিব ভুইয়া সহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, সাংবাদিকরা সত্য ও জনস্বার্থের সংবাদ প্রকাশ করবেন—এটাই তাদের দায়িত্ব। সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে কোনো সাংবাদিককে হামলার চেষ্টা বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
ঘটনার বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।