সী'তাকু'ণ্ডে জা'ল দলিলে জমি দ'খলের চেষ্টা, গ্রে'প্তার ৪

আপলোড সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ০৩:৩৬:৪০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ০৩:৪০:৩৭ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক


আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার সর্বশেষ ইপেপার জুলাই বিপ্লব জাতীয় বাণিজ্য রাজনীতি সারা দেশ বিনোদন বিশ্ব খেলা ইসলাম ও জীবন ফিচার আমার দেশ পরিবার কী খুঁজতে চান? > সারা দেশ > চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডে জাল দলিলে জমি দখলের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৪ উপজেলা প্রতিনিধি, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ৩২ আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ৪৭ নিজস্ব প্রতিবেদক


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাল বণ্টননামা দলিল তৈরি করে বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বুধবার রাতে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের উত্তর ঘোড়ামরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিজ্ঞাপন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন—সোনাইছড়ি ইউনিয়নের উত্তর ঘোড়ামরা এলাকার আহম্মদ মিঞার ছেলে মো. ওমর ফারুক, আবু তাহের লিটন, আবদুল কাদেরের ছেলে মাসুদ পারভেজ শাহেদ এবং আবদুল নবির ছেলে মো. নাঈম উদ্দিন। বিষয়টি নিশ্চিত করে সীতাকুণ্ড থানার তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে জাল দলিল তৈরির অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার এজাহার, তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথি সূত্রে জানা গেছে, কুমিরা মৌজার ১০ শতক বসতভিটা জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সীতাকুণ্ড সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ৭৯৪৮ নম্বরের একটি ভুয়া বণ্টননামা দলিল তৈরি করেন। ওই


দলিলে জমির প্রকৃত মালিক মৃত আবদুল হককে ‘চতুর্থ পক্ষ’ হিসেবে দেখিয়ে জমিটি আসামিরা নিজেদের নামে বণ্টন করে নেন। তবে আবদুল হকের পরিবারের অভিযোগ, তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় এই দলিলের বিষয়ে কিছুই জানতেন না। তিনি কখনো সীতাকুণ্ড সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থিত হয়ে স্বাক্ষর বা টিপসই দেননি। এমনকি তার পাসপোর্টে থাকা মূল স্বাক্ষরের সঙ্গে কথিত বণ্টননামা দলিলে ব্যবহৃত স্বাক্ষরের স্পষ্ট অমিল তদন্তে উঠে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জালিয়াতির মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত দলিলটি দীর্ঘদিন গোপন রাখা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আবদুল হক মারা গেলে দলিলটি সামনে এনে সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা শুরু হয়। বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে আসে। মামলাটির বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালায় চট্টগ্রাম জেলা সিআইডি। গত ২৭ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করলে ৩১ আগস্ট আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডির অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দলিলের সাক্ষীদের ক্ষেত্রেও নানাবিধ অসঙ্গতির তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দলিলের ৩ নম্বর সাক্ষী মো. সাইফুলকে ওয়ারিশি আপস-বণ্টনের কথা বলে প্রতারণামূলকভাবে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে ২ নম্বর সাক্ষী মাসুদ পারভেজ শাহেদের নাম দলিলে আংশিকভাবে ‘মো. শাহেদ’ ব্যবহার করে তথ্য গোপনের চেষ্টা করা হয়েছিল। এদিকে জমি সংক্রান্ত একটি বিবিধ মামলায় সীতাকুণ্ড ভূমি অফিস থেকে আদালতে দেওয়া জবাবেও বণ্টননামা দলিলটি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) তার জবাবে উল্লেখ করেছেন, ওই বণ্টননামা দলিলে আবদুল হকের কোনো স্বাক্ষর বা সম্মতি ছিল না।


অন্যদিকে বাদীপক্ষের অভিযোগ, মামলা দায়ের ও তদন্ত চলা সত্ত্বেও আসামিদের পক্ষ থেকে তাদের নিয়মিত ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এমনকি জামিনে বের হয়ে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]