নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ *সরকারের অদক্ষ, অব্যবস্থপনা, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে জনগণকে মাশুল দিতে হচ্ছে - মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি* * আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপি সর্বস্তরের দলীয়করণ করছে - বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি
বলেছেন, সরকারের অদক্ষ, অব্যবস্থপনা, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে জনগণকে মাশুল দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, একদিকে গ্যাস-বিদ্যুৎ, তেল, সারের সংকট আরেকদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি জনগণের ঘাড়ের ওপর পড়ছে। সরকারের তথ্য উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে! কিন্তু মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায় না। ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ পূর্বক বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পল্টন মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি লংমার্চের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, “গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন’, ‘জুলাই গণহত্যার বিচার’, ‘বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন’, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে ঊর্ধ্বগতিরোধ’, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন’, এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করার”- ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আগামী শনিবার লংমার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। পরবর্তীতে ১৯ সেপ্টেম্বর
শনিবার ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটের অভিমুখে লংমার্চ শেষে ১৪ নভেম্বর শনিবার ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধীদল জনগণের গণদাবি আদায়ে সংসদে চেষ্টা করছে। কিন্তু সরকার বারবার গণদাবি উপেক্ষা করেই যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, সংসদে গণদাবি আদায় না হলে রাজপথেই আদায় করা হবে। আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপি সর্বস্তরের দলীয়করণ করছে উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, চব্বিশের বিপ্লব পরবর্তী জনগণের আকাক্সক্ষা ছিল বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ। কিন্তু সরকার সর্বস্তরের দলীয়করণ চালাচ্ছে। জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে সকল সিটি কর্পোরেশনে দলীয় নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। বিশ^বিদ্যালয়ে দলীয় লোকজনকে ভিসি নিয়োগ দিচ্ছে। এমনকি স্কুল-কলেজও দলীয় লোকদের দিয়ে দখল করে নিচ্ছে। এই নিলজ্জ দলীয়করণ এর কারণে সৎ, যোগ্য ও মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একদিকে পতিত আওয়ামী লীগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে যেভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে জনগণের বুকে গুলি চালিয়েছে যার কারণে জনগণের কাছে যেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সেই মনোবল ভেঙে গেছে। অপরদিকে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতি হচ্ছে। প্রশাসন
অপরাধীদের আটক করলে সেখানে সরকার দলীয় নেতারা প্রভাব বিস্তার করে। নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি আরও বলেন, ১২ ফেব্রæয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু বিএনপি শুধুমাত্র সংসদ নির্বাচন মেনে নিয়ে ক্ষমতায় বসেছে। বিএনপি গণভোটের রায় মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করবে না বলেই তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেনি। তারা সংবিধান সংশোধনের নামে একটি সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠন করেছে। যার নাম নিজেরা নিজেরা দিয়েছে ‘সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি’। অথচ সংবিধান সংশোধনের জন্য আলাদা কোনো কমিটি করতে হয় না। সংবিধান সংশোধন বা আইন প্রণয়ন জাতীয় সংসদের একটি নিয়মিত কাজ। সরকার ওই কমিটিতে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নাম দিতে আহ্বান জানালেও বিরোধীদল থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সংবিধান সংশোধনের নামে জনগণের সাথে ভাওতাবাজির সাথে বিরোধীদল যুক্ত হবে না। বিরোধীদলের বক্তব্য পরিষ্কার গণভোটের গণরায় মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে। কীভাবে বা কোন পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কার করবে এজন্য বিএনপিকেই সংষ্কারের পথ বের করতে হবে। আজ হোক, কাল হোক গণভোটের রায় সরকারকে বাস্তবায়ন করতেই হবে; এর কোনো বিকল্প নেই। আগামী শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে চট্রগ্রামের অভিমুখে লংমার্চে অংশগ্রহণ করতে তিনি ঢাকাবাসীকে আহ্বান জানিয়ে রাজধানীর পল্টন মোড়-দৈনিক বাংলা-ফকিরাপুল এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খানসহ
মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বার্তা প্রেরক (আবদুস সাত্তার সুমন) সহকারী প্রচার সম্পাদক ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ
রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ *সরকারের অদক্ষ, অব্যবস্থপনা, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে জনগণকে মাশুল দিতে হচ্ছে - মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি* * আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপি সর্বস্তরের দলীয়করণ করছে - বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি
বলেছেন, সরকারের অদক্ষ, অব্যবস্থপনা, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে জনগণকে মাশুল দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, একদিকে গ্যাস-বিদ্যুৎ, তেল, সারের সংকট আরেকদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি জনগণের ঘাড়ের ওপর পড়ছে। সরকারের তথ্য উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে! কিন্তু মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায় না। ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ পূর্বক বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পল্টন মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি লংমার্চের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, “গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন’, ‘জুলাই গণহত্যার বিচার’, ‘বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন’, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে ঊর্ধ্বগতিরোধ’, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন’, এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করার”- ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আগামী শনিবার লংমার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। পরবর্তীতে ১৯ সেপ্টেম্বর
শনিবার ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটের অভিমুখে লংমার্চ শেষে ১৪ নভেম্বর শনিবার ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধীদল জনগণের গণদাবি আদায়ে সংসদে চেষ্টা করছে। কিন্তু সরকার বারবার গণদাবি উপেক্ষা করেই যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, সংসদে গণদাবি আদায় না হলে রাজপথেই আদায় করা হবে। আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপি সর্বস্তরের দলীয়করণ করছে উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, চব্বিশের বিপ্লব পরবর্তী জনগণের আকাক্সক্ষা ছিল বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ। কিন্তু সরকার সর্বস্তরের দলীয়করণ চালাচ্ছে। জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে সকল সিটি কর্পোরেশনে দলীয় নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। বিশ^বিদ্যালয়ে দলীয় লোকজনকে ভিসি নিয়োগ দিচ্ছে। এমনকি স্কুল-কলেজও দলীয় লোকদের দিয়ে দখল করে নিচ্ছে। এই নিলজ্জ দলীয়করণ এর কারণে সৎ, যোগ্য ও মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একদিকে পতিত আওয়ামী লীগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে যেভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে জনগণের বুকে গুলি চালিয়েছে যার কারণে জনগণের কাছে যেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সেই মনোবল ভেঙে গেছে। অপরদিকে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতি হচ্ছে। প্রশাসন
অপরাধীদের আটক করলে সেখানে সরকার দলীয় নেতারা প্রভাব বিস্তার করে। নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি আরও বলেন, ১২ ফেব্রæয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু বিএনপি শুধুমাত্র সংসদ নির্বাচন মেনে নিয়ে ক্ষমতায় বসেছে। বিএনপি গণভোটের রায় মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করবে না বলেই তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেনি। তারা সংবিধান সংশোধনের নামে একটি সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠন করেছে। যার নাম নিজেরা নিজেরা দিয়েছে ‘সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি’। অথচ সংবিধান সংশোধনের জন্য আলাদা কোনো কমিটি করতে হয় না। সংবিধান সংশোধন বা আইন প্রণয়ন জাতীয় সংসদের একটি নিয়মিত কাজ। সরকার ওই কমিটিতে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নাম দিতে আহ্বান জানালেও বিরোধীদল থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সংবিধান সংশোধনের নামে জনগণের সাথে ভাওতাবাজির সাথে বিরোধীদল যুক্ত হবে না। বিরোধীদলের বক্তব্য পরিষ্কার গণভোটের গণরায় মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে। কীভাবে বা কোন পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কার করবে এজন্য বিএনপিকেই সংষ্কারের পথ বের করতে হবে। আজ হোক, কাল হোক গণভোটের রায় সরকারকে বাস্তবায়ন করতেই হবে; এর কোনো বিকল্প নেই। আগামী শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে চট্রগ্রামের অভিমুখে লংমার্চে অংশগ্রহণ করতে তিনি ঢাকাবাসীকে আহ্বান জানিয়ে রাজধানীর পল্টন মোড়-দৈনিক বাংলা-ফকিরাপুল এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খানসহ
মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বার্তা প্রেরক (আবদুস সাত্তার সুমন) সহকারী প্রচার সম্পাদক ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ