খেলে দাঁতে ক্ষয় হয়—এ কথা কমবেশি সবারই জানা। কারণ, মুখের কিছু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া চিনি খেয়ে অ্যাসিড তৈরি করে।

আপলোড সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ১১:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ১১:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক

খেলে দাঁতে ক্ষয় হয়—এ কথা কমবেশি সবারই জানা। কারণ, মুখের কিছু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া চিনি খেয়ে অ্যাসিড তৈরি করে। সেই অ্যাসিড দাঁতের শক্ত আবরণ ক্ষয় করে তৈরি করতে পারে গর্ত। তবে মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখার বিষয়টি শুধু চিনি এড়িয়ে চলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কী খাচ্ছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ফল, শাকসবজি, চা এমনকি পনিরের মতো কিছু খাবার মুখের উপকারী জীবাণু টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করতে পারে। বিজ্ঞানীরা এখন মুখের ভেতরে থাকা জীবাণুর এই জগতের গুরুত্ব নতুন করে বুঝতে শুরু করেছেন। মুখে প্রায় ৭০০ ধরনের



ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এর পাশাপাশি আছে ভাইরাস, ছত্রাক ও অন্যান্য অণুজীব। এদের সমন্বয়ে তৈরি মুখের জীবাণুসমাজ শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। মুখের বিভিন্ন অংশে ভিন্ন ভিন্ন জীবাণু বসবাস করে। কিছু ব্যাকটেরিয়া দাঁতের পৃষ্ঠে থাকে। কিছু থাকে জিহ্বায়। আবার কিছু দাঁত ও মাড়ির মধ্যকার ক্ষুদ্র ফাঁকে বাসা বাঁধে। সব ব্যাকটেরিয়া অবশ্য ক্ষতিকর নয়। বরং কিছু ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর জীবাণুকে ঠেকাতে সাহায্য করে। তাই মুখের জীবাণুসমাজে উপকারী ও ক্ষতিকর অণুজীবের ভারসাম্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ।


ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া কীভাবে দাঁতের ক্ষতি করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে স্ট্রেপ্টোকক্কাস মিউটান্স অন্যতম। এটি দাঁতের পৃষ্ঠে থাকে এবং চিনি খেতে পছন্দ করে। চিনি থেকে এটি অ্যাসিড তৈরি করে। ওই অ্যাসিড দাঁতের সুরক্ষামূলক আবরণ ক্ষয় করে। একপর্যায়ে দাঁতে গর্ত বা ক্ষয় তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ৩০-এর মাঝামাঝি বয়সে পৌঁছানোর আগেই ৮০ শতাংশের বেশি মানুষের দাঁতে এ ধরনের ক্ষয় দেখা যায়। অন্যদিকে ভেইলনেলা, অ্যাক্টিনোমাইসিস, স্ট্রেপ্টোকক্কাস–এর কিছু প্রজাতি এবং নেইসেরিয়া–র মতো ব্যাকটেরিয়া উপকারী। এগুলো মুখে থাকলে ক্ষতিকর জীবাণু সেখানে সহজে বসতি গড়তে পারে না। মুখ নিয়মিত ও ভালোভাবে পরিষ্কার না করলে দাঁত ও মাড়ির মধ্যবর্তী স্থানে ছোট ছোট পকেট তৈরি হতে পারে। সেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। এই পরিবেশে পোরফাইরোমোনাস জিনজিভালিস–এর মতো ব্যাকটেরিয়া সহজে বেড়ে উঠতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়া মাড়ির রোগের কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে হৃদ্‌রোগ, বিষণ্নতা, আলঝেইমার রোগ, ডায়াবেটিস, অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং সময়ের আগে সন্তান জন্মের মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার ঝুঁকির সঙ্গেও এর সম্পর্ক পাওয়া গেছে।


সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মুখের জীবাণুসমাজের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সঙ্গে বৃহদান্ত্র ও অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের সম্পর্ক নিয়েও গবেষণা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি অংশগ্রহণকারীদের লালার নমুনা পরীক্ষা করেন। পরে তাদের ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করা হয়। যাদের মুখের জীবাণুসমাজে দাঁতের ক্ষয় বা ক্যান্ডিডা ছত্রাকের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু প্রজাতির জীবাণু ছিল, তাদের অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি পাওয়া যায়। মুখের জীবাণুর বৈচিত্র্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় মুখের জীবাণুর বৈচিত্র্য কম থাকার সঙ্গে বিষণ্নতার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। শুধু দাঁত ব্রাশ করলেই হবে না মুখের জীবাণুসমাজ ভালো রাখতে শুধু দাঁত ব্রাশ করাই যথেষ্ট নয়। মানুষ যে খাবার খায়, মুখের জীবাণুরাও মূলত সেই খাবার থেকেই পুষ্টি পায়। ফলে খাদ্যাভ্যাস ঠিক করে দেয় মুখে কোন জীবাণু টিকে থাকবে এবং কোনগুলো বাড়বে। চিনি বেশি থাকা খাবার ও পানীয় তাই কমানো জরুরি। একইভাবে পরিশোধিত শর্করা বা সহজে চিনিতে পরিণত হয় এমন খাবারও সীমিত করা ভালো। সাদা পাউরুটি, ক্র্যাকার, বিস্কুট, কেক ও প্রেটজেলের মতো খাবার এ ক্ষেত্রে উদাহরণ। উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ। তারা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে খাবার ও জায়গার জন্য প্রতিযোগিতা করে। এতে ক্ষতিকর জীবাণুর সংখ্যা কমতে পারে। আবার কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া সরাসরি ক্ষতিকর জীবাণুকে আক্রমণও করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির নৃবিজ্ঞান ও নীতিবিদ্যার সহযোগী অধ্যাপক লরা ওয়েইরিখ মুখের জীবাণুসমাজ নিয়ে গবেষণা করেন। তার মতে, একই গোত্রের কিছু স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া খুব বেশি অ্যাসিড তৈরি করে না। বরং তারা অ্যাসিড তৈরি করা কিছু ক্ষতিকর জীবাণুকে আক্রমণ করতে পারে। এর একটি উদাহরণ এস. স্যালিভারিয়াস। এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া এমন কিছু প্রোটিন তৈরি করে, যা বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী কিছু জীবাণুও এর মধ্যে রয়েছে। শাকসবজি, চা ও ফলের উপকার মুখের উপকারী জীবাণু বাড়াতে পাতাযুক্ত সবুজ শাকসবজি খাওয়া ভালো হতে পারে। কেল, পালংশাক, বিট ও মূলার মতো খাবারে নাইট্রেটের পরিমাণ বেশি। মুখের নেইসেরিয়া ব্যাকটেরিয়া এই নাইট্রেট ব্যবহার করে নাইট্রাইট তৈরি করে। পরে অন্ত্রে থাকা ব্যাকটেরিয়া সেটিকে আরও পরিবর্তন করে নাইট্রিক অক্সাইডে পরিণত করে। নাইট্রিক অক্সাইড রক্তে সঞ্চালিত হয়ে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও উপকার হতে পারে। একটি গবেষণায় বয়স্ক ব্যক্তিরা দুই সপ্তাহ দিনে দুবার নাইট্রেটসমৃদ্ধ বিটের রস পান করেছিলেন। এতে তাদের রক্তচাপ কমে যায়। রসুনও মুখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। রসুন চিবিয়ে খেলে নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হতে পারে। তবে এতে থাকা অ্যালিসিন নামের রাসায়নিক দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে। উদ্ভিদজাত খাবার বেশি খাওয়ার আরেকটি সুবিধা হলো এতে পলিফেনল নামের এক ধরনের যৌগ থাকে। এটি উদ্ভিদের কোষ ও টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। পলিফেনল ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেও কাজ করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিকাগো শাখার দন্তচিকিৎসা বিভাগের অধ্যাপক ক্রিস্টিন উয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, চায়ে থাকা পলিফেনল দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগ সৃষ্টিকারী কিছু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে পারে। এসব জীবাণু যাতে একসঙ্গে জমাট বেঁধে দাঁতের গায়ে আটকে যেতে না পারে, তাতেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে। চা পান করলে মুখের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণও কমতে পারে বলে তাঁর গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এসব ব্যাকটেরিয়া সাধারণত জিহ্বার পেছনের অংশে থাকে। অনেক ফলে, বিশেষ করে গাঢ় রঙের বেরিতে প্রচুর পলিফেনল থাকে। এ কারণে চিনি ও অ্যাসিড থাকার পরও এসব ফল মুখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। ক্র্যানবেরির রস নিয়ে করা গবেষণায় দেখা গেছে, এটি দাঁতের ওপর জীবাণুর আস্তরণ তৈরি ঠেকাতে পারে। একই সঙ্গে দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগের সঙ্গে যুক্ত ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিও কমাতে পারে। মধুতেও প্রচুর পলিফেনল রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি দাঁতের ওপর জীবাণুর আস্তরণ তৈরি ঠেকাতে এবং দাঁতের ক্ষয় সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে। পনির ও গাঁজানো খাবারও উপকারী পনির চিবিয়ে খাওয়াও মুখের জীবাণুসমাজের জন্য উপকারী হতে পারে। ইতালির গবেষকেরা ছোট একটি গবেষণায় নয়জন অংশগ্রহণকারীকে টানা পাঁচ দিন প্রতিদিন গ্রানা পাদানো পনির খেতে দেন। গবেষণার শেষে তাদের মুখের ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্যে সামান্য পরিবর্তন দেখা যায়। চিনি পছন্দ করে এমন এস. মিউটান্স–এর পরিমাণ কমে যায়। অন্যদিকে সুস্থ মুখে বেশি দেখা যায় এমন এস. স্যাঙ্গুইনিস–এর পরিমাণ বাড়ে। পনির এস. মিউটান্স–এর কারণে সৃষ্ট কিছু ক্ষতিও কমাতে পারে। অধ্যাপক ক্রিস্টিন উয়ের মতে, পনির শক্ত হওয়ায় এটি চিবানোর সময় মুখে লালা বেশি তৈরি হয়। লালা মুখের অতিরিক্ত চিনি সরিয়ে দিতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে লালা মুখে তৈরি হওয়া অ্যাসিডের প্রভাবও কমাতে পারে। গাঁজানো খাবারও মুখের জীবাণুসমাজের জন্য উপকারী হতে পারে। এসব খাবারে উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে। তারা ক্ষতিকর জীবাণুর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কেফিরের মতো গাঁজানো দুধের পানীয় কিছু ক্ষতিকর মুখের জীবাণুর কার্যক্রম কমাতে পারে। এসব জীবাণুকে আঠালো জীবাণুস্তর তৈরি করা থেকেও ঠেকাতে পারে। কোনো একটি খাবারই সমাধান নয় তবে মুখের স্বাস্থ্যের জন্য কোনো একটি ‘সুপারফুড’ নেই। ইতালির ক্যাটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাড়ির রোগবিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক গায়েতানো ইসোলার মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস। বারবার পরিশোধিত চিনি ও সহজে গাঁজনযোগ্য শর্করা খেলে এমন জীবাণু বাড়তে পারে, যারা দ্রুত অ্যাসিড তৈরি করে এবং সেই অ্যাসিড সহ্য করতে পারে। সময়ের সঙ্গে এতে মুখের জীবাণুসমাজের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এর বিপরীতে উদ্ভিদজাত খাবার, আঁশ ও জটিল শর্করায় সমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস মুখের জীবাণুসমাজের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক। এ ক্ষেত্রে পরিশোধিত চিনি বারবার খাওয়ার অভ্যাস কমানোও গুরুত্বপূর্ণ। ইসোলার পরামর্শ, পরিশোধিত শর্করার বদলে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদজাত খাবার খাওয়া। এর মধ্যে রয়েছে সবজি, পূর্ণাঙ্গ ফল, ডাল ও পূর্ণ শস্য। ইসোলা যুক্ত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ভূমধ্যসাগরীয় ধাঁচের খাদ্যাভ্যাস বেশি অনুসরণ করেন, তাদের মাড়ির রোগ তুলনামূলকভাবে কম গুরুতর হয়। এই খাদ্যাভ্যাসে ফল, সবজি, পূর্ণ শস্য ও স্বাস্থ্যকর চর্বির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। যারা এই খাদ্যাভ্যাস কম অনুসরণ করেন, তাদের মাড়ির রোগ তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুতর ছিল। বিশেষ করে যাঁরা ঘন ঘন লাল মাংস খেতেন, তাদের ক্ষেত্রে এ প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। লাল মাংস ও মাড়ির রোগের মধ্যে এই সম্পর্কের কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। একটি ধারণা হলো, মাংসের প্রোটিন মুখের এমন পরিবেশ তৈরি করতে পারে, যা পি. জিনজিভালিস–এর মতো ক্ষতিকর জীবাণুর জন্য অনুকূল। দাঁত পরিষ্কার রাখাও সমান জরুরি খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ হলেও দাঁত ব্রাশ ও দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করার বিকল্প নেই। দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করার সঙ্গে এস. মিউটান্স–এর কম ঘনত্বের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। দাঁত ও জিহ্বা ব্রাশ করলেও দাঁতের রোগের সঙ্গে যুক্ত জীবাণু উল্লেখযোগ্যভাবে কমে। তবে বাজারে সহজে পাওয়া জীবাণুনাশক তরল নিয়মিত ব্যবহারে মুখের জীবাণুসমাজে কী প্রভাব পড়ে, তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। ভবিষ্যতে এসব তরল শুধু মোট ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমানোর বদলে মুখের উপকারী ও ক্ষতিকর জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতেও ব্যবহার করা যাবে—এমন আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। অন্যদিকে ক্লোরহেক্সিডিনযুক্ত কিছু জীবাণুনাশক তরল মুখের জীবাণুর ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলে জানা যায়। তবে মাড়ির রোগ ও কিছু অন্যান্য মুখের সমস্যার চিকিৎসায় স্বল্পমেয়াদে এগুলো উপকারী হতে পারে। সব মিলিয়ে মুখের উপকারী জীবাণু ভালো রাখার অন্যতম উপায় হতে পারে সুষম খাদ্যাভ্যাস। বেশি করে সবজি ও পাতাযুক্ত শাক খাওয়া, পরিমিত চর্বিহীন প্রোটিন রাখা এবং বিশেষ করে চিনিযুক্ত পানীয়সহ অতিরিক্ত চিনি কমানো গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ, মুখের স্বাস্থ্যের যত্ন শুধু দাঁত ব্রাশ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিদিনের খাবারও মুখের ভেতরের জীবাণুসমাজকে বদলে দিতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাবারের একটি সুষম তালিকা শুধু শরীরের জন্য নয়, মুখের উপকারী জীবাণুর জন্যও ভালো হতে পারে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]