গ্রাহকের স্বর্ণ নিয়ে পা'লা'নো চাঁদপুরের সেই ব্যবসায়ী পটিয়ায় পরিবারসহ আ'ট'ক

আপলোড সময় : ২৮-০৮-২০২৬ ০২:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৮-০৮-২০২৬ ০২:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্রাহকদের স্বর্ণালংকার ও অর্থ আত্মসাৎ করে পরিবারসহ আত্মগোপনে যাওয়া চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোর পাঁচটার দিকে চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তাকে আটক করে চাঁদপুর সদর মডেল থানা-পুলিশ।

 

চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কালামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটিয়ায় এই অভিযান পরিচালনা করে। আটক ব্যক্তিরা হলেন—পিন্টু দাস, তার স্ত্রী রিমি দাস এবং দুই ছেলে প্রিয়ম দাস ও রূপম দাস। প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের চাঁদপুরে নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে অভিযানকারী দল।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিন্টু দাস চাঁদপুর শহরের কুমিল্লা সড়কের আখন্দ মার্কেটের নিচতলায় ‘এস কে শিল্পালয়’ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। তিনি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বাজারমূল্যের চেয়ে কম মূল্যে স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে নগদ অর্থ দিতেন। তবে বন্ধক রাখা এসব স্বর্ণের বিপরীতে পাওনা টাকা পরিশোধের পরও গ্রাহকদের অলংকার ফেরত না দিয়ে এবং বিভিন্ন সমিতি থেকে নেওয়া ঋণের চাপে তিনি পরিবারসহ হঠাৎ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরো পরিবারটি নিখোঁজ হওয়ার বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছিল।

 

ভুক্তভোগীদের মধ্যে রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান অভিযোগ করেন, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে পাওনা অর্থ ফেরত দিয়ে অলংকার বুঝে নিতে চাইলে পিন্টু দাস কালক্ষেপণ করেন এবং একপর্যায়ে রাতের আঁধারে বাসা ছেড়ে সপরিবারে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে গত ২৪ আগস্ট চাঁদপুর সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এ ছাড়া জাহিদুল ইসলাম নামের এক গ্রাহক ১২ আনা এবং শুভঙ্কর মজুমদার ১০ আনা স্বর্ণালংকার ফেরত না পাওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

এর আগে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানিয়েছিলেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস নিখোঁজ হননি, বরং দেনার দায়ে আত্মগোপন করেছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়নি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]