নেপালে আ'ক'স্মি'ক পাহাড়ি ঢ'লে নি'হ'ত বেড়ে ৯২, নি'খোঁ'জ ৫০০

আপলোড সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ০৮:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ০৮:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী জেলা রাসুয়ায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বার্তা সংস্থা পিটিআই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

 

বুধবার নেপাল ও চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে শত শত মানুষ কাদা ও বন্যার পানির নিচে চাপা পড়েন। নিখোঁজদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

 

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নেপালের ভোতকোশি নদীর পাড়ের মানুষ ও অবকাঠামো এই বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীনের তিব্বতে কৈলাশ মানস সরোবর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি পবিত্র স্থান। তাদের বিশ্বাস সেখানে তাদের দেবতা শিব বসবাস করে। এছাড়া বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্রস্থানও সেখানে আছে।

 

নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের তালিকায় আরও রয়েছেন ১৭ জন মালয়েশীয়, চারজন দক্ষিণ আফ্রিকান, তিনজন মার্কিন এবং একজন করে অস্ট্রেলীয় ও ডাচ নাগরিক। তবে তালিকায় থাকা আরও ১১১ জনের জাতীয়তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

 

নিখোঁজের তালিকায় ভারতীয়দের সংখ্যা বেশি

নিখোঁজদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। সাধারণ ভারতীয় নাগরিক ১০৫ জনের পাশাপাশি ৩৭ জন অনাবাসী ভারতীয়ও রয়েছেন। অর্থাৎ ভারতীয় ও অনাবাসী ভারতীয় মিলিয়ে মোট ১৪২ জনের অবস্থান এখনও নিশ্চিত নয়। এছাড়া যুক্তরাজ্যের ১২ জন নাগরিকেরও কোনও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, নিখোঁজদের জাতীয়তা শনাক্ত ও তাদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। ফলে তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের সংখ্যা বা জাতীয়তার তথ্য পরবর্তী সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে।

 

নেপালের কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্ত জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে তারা জানতে পেরেছেন সেখানকার লেন্দে নামে একটি নদীতে বরফ ধসের ঘটনা ঘটে। এতে নদীর পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পানি আর স্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে না এসে জমতে থাকে।

 

বুধবার সকাল ৯টার দিকে যখন আকস্মিক বন্যার পানি নেপালে নেমে আসে; তখন তিব্বতে একটি ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ধারণা করা হচ্ছে ওই ভূমিকম্পের কারণে বরফ নড়ে যায় এবং লেন্দে নদীর পানি একসঙ্গে ভোতকোশি নদী দিয়ে নিমে নেমে আসে।


 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]