৩০ বছরেও হয়নি সেতু, জী'র্ণ বাঁশের সাঁকোই ৫ গ্রামের ভরসা

আপলোড সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ১২:০৩:৫৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-০৮-২০২৬ ১২:০৩:৫৭ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ পাখিমারা খালের ওপর স্থায়ী সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পাঁচ গ্রামের মানুষ। ৩০ বছর প্রতিদিন কাদা, নৌকা ও ঝুঁকিপূর্ণ ভাসমান সেতু পার হয়ে বাজারে কৃষিপণ্য নিয়ে যেতে হয় তাদের।


স্থানীয়দের দাবি, এসব গ্রামে প্রতিবছর প্রায় ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। কলাপাড়া উপজেলার প্রায় ৭০ শতাংশ সবজির চাহিদা পূরণ হয় এ অঞ্চল থেকে। স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সবজি প্রতিদিন বাস, ট্রাক ও পিকআপে দেশের বিভিন্ন এলাকার আড়তে পাঠানো হয়।


কৃষকদের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে এ দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। নৌকায় করে বাজারে আসতে হয়। অথচ কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পথে তিন দশকেও একটি স্থায়ী গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়নি।


স্থানীয় কৃষক আব্দুল আজিজ হাওলাদার জানান, পাখিমারায় প্রায় ৩০০ ফুট প্রশস্ত খাল পারাপারে বর্তমানে কৃষকরা নিজেদের অর্থায়নে ড্রামের ওপর নির্মিত ভাসমান বাঁশ কাঠের সেতুর ওপর নির্ভরশীল। নিজেদের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন সংস্থার সহায়তায় কয়েক দফা এটি মেরামত করা হলেও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান হয়নি।


এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান বলেন, পাখিমারা খালের ওপর একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এটি বাস্তবায়ন করবে। নীলগঞ্জের সবজি চাষিদের দুর্ভোগ কমানো এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের সুবিধার জন্যই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।


এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কুমিরমারার সবজি চাষিসহ এলাকার কৃষকদের কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া ও যোগাযোগ সুবিধার জন্য পাখিমারা খালের ওপর একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ডিজাইন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পথে। নেভিগেশন ছাড়পত্রও নেওয়া হয়েছে। এখন একনেকের (ECNEC) অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে।


 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]