ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে জশনে জুলুস আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে আগামী ২৯ আগস্ট জশনে জুলুস আয়োজনের অনুমতি চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থী ফোরাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আবেদনটি জমা দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মোরাদ। আবেদনে বলা হয়েছে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও রিসালাতের স্মরণে আগামী ২৯ আগস্ট (শনিবার) বিকেল ৪টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে জশনে জুলুস আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের
অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জশনে জুলুসের আগে শহরের পৌর মুক্তমঞ্চে অংশগ্রহণকারীরা সমবেত হবেন। পরে সেখান থেকে নাতে রাসুল (দ.) ও দরুদ-সালামের মাধ্যমে জুলুস শুরু হয়ে কুমারশিল মোড়, ডা. ফরিদুল হুদা রোড, ছাতিপট্টি রোড ও মসজিদ রোড প্রদক্ষিণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হবে। জশনে জুলুসে নাতে রাসুল (দ.), দরুদ ও সালামসহ বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালনের কথা
রয়েছে। আয়োজকেরা জানান, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও তাঁর আদর্শের শিক্ষা মানুষের মাঝে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। আবেদনে আয়োজকেরা উল্লেখ করেন, কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে। একই সঙ্গে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান মেনে কর্মসূচি পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। জশনে জুলুসটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় অনুমতি, প্রশাসনিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন
আয়োজকেরা। আবেদন জমা দেওয়ার সময় সাধারণ শিক্ষার্থী ফোরামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আবু হুরায়রা ইকরাম ইবনে মাসুদ, হাফেজ মুহাম্মদ মোজাহিদ, শোয়াইব আহমেদ, তারেকুল ইসলাম, ইমতিয়াজ আহমেদ প্রমুখ। প
বিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ, মানবতা, শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা স্মরণের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে দিনটি পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আয়োজকেরা।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে জশনে জুলুস আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে আগামী ২৯ আগস্ট জশনে জুলুস আয়োজনের অনুমতি চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থী ফোরাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আবেদনটি জমা দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মোরাদ। আবেদনে বলা হয়েছে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও রিসালাতের স্মরণে আগামী ২৯ আগস্ট (শনিবার) বিকেল ৪টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে জশনে জুলুস আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের
অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জশনে জুলুসের আগে শহরের পৌর মুক্তমঞ্চে অংশগ্রহণকারীরা সমবেত হবেন। পরে সেখান থেকে নাতে রাসুল (দ.) ও দরুদ-সালামের মাধ্যমে জুলুস শুরু হয়ে কুমারশিল মোড়, ডা. ফরিদুল হুদা রোড, ছাতিপট্টি রোড ও মসজিদ রোড প্রদক্ষিণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হবে। জশনে জুলুসে নাতে রাসুল (দ.), দরুদ ও সালামসহ বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালনের কথা
রয়েছে। আয়োজকেরা জানান, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও তাঁর আদর্শের শিক্ষা মানুষের মাঝে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। আবেদনে আয়োজকেরা উল্লেখ করেন, কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে। একই সঙ্গে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান মেনে কর্মসূচি পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। জশনে জুলুসটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় অনুমতি, প্রশাসনিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন
আয়োজকেরা। আবেদন জমা দেওয়ার সময় সাধারণ শিক্ষার্থী ফোরামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আবু হুরায়রা ইকরাম ইবনে মাসুদ, হাফেজ মুহাম্মদ মোজাহিদ, শোয়াইব আহমেদ, তারেকুল ইসলাম, ইমতিয়াজ আহমেদ প্রমুখ। প
বিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ, মানবতা, শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা স্মরণের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে দিনটি পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আয়োজকেরা।