আ.লীগের বি'রু'দ্ধে না'শ'ক'তা মা'ম'লা'য় আ'সা'মি বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মী

আপলোড সময় : ২৪-০৮-২০২৬ ০৫:৪৮:০৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৪-০৮-২০২৬ ০৫:৪৮:০৮ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটের বিশ্বনাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদেরও আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার বিশ্বনাথ থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।


মামলার বাদী অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মো. ইরন মিয়া। তিনি উপজেলার সাবানটেংরা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীর ছেলে।


মামলায় ইউনিয়ন বিএনপি, জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীদেরও আসামি করা হয়েছে। মামলায় ৯২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৬০-৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।


মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় আসামিরা রামপাশা ইউনিয়নের বিশ্বনাথ-লামাকাজী পাকা সড়কে গাড়ির টায়ারে অগ্নিসংযোগ করে রাস্তায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং দেশবিরোধী স্লোগান দেয়। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে ক্ষয়ক্ষতি করাসহ অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে। মামলার ৬৮ নম্বর আসামি এখলাছ মিয়া অলংকারী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক, ৮৮ নম্বর আসামি রনি মিয়া খাজাঞ্চী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং ৮৬ নম্বর আসামি রামপাশা ইউনিয়নের রেনু মিয়া জামায়াতের কর্মী।


মামলায় আসামি হওয়া বিএনপি নেতা এখলাছ মিয়া বলেন, ‘আমার প্রতিবেশীর সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। এটার জেরেই প্রতিহিংসামূলক চক্রান্ত করে আমাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের তালিকায় নাম ঢুকানো হয়েছে।’


তিনি আরো বলেন, ‘আমি ছাড়াও বিএনপির আরো কয়েকজন কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির দায়িত্বশীল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হয়েছে এবং এর একটা সমাধান হবে।’


বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের আমির নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, ‘বিএনপি দলীয়ভাবে এই মামলাটি করিয়েছে। আমার দলের কর্মী রেনু মিয়া ও ছাত্রশিবিরের ওয়ার্ড সভাপতি রনি মিয়াকে এই মামলায় পরিকল্পিতভাবে আসামি করা হয়েছে—এটা তাদের ঠিক হয়নি। আমি থানার ওসির সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি বলেছেন তদন্ত শেষে নিরপরাধ মানুষের নাম বাদ দেওয়া হবে।


বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বুধবার রাতে ইরন মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা হয়েছে, আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত শেষ না হলে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।’


মামলার বাদী মো. ইরন মিয়া বলেন, ‘মামলার বিষয়ে কোনো কিছুই আমি জানি না। এ ব্যাপারে জানতে হলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলুন।’


বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়ার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমি একটি বৈঠকে আছি বলে ফোন কেটে দেন।


বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ গৌছ আলী বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমরা তদন্ত করে দেখছি এবং ব্যবস্থা নিচ্ছি। হয়তো অনেকগুলো নাম থাকায় মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়ে থাকতে পারে, এটি সমাধান হয়ে যাবে।’


 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]