৭ বছরের ছেলেকে পাহাড়ে একা রেখে চূড়ার পথে বাবা

আপলোড সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০১:০৪:০২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০১:০৪:০২ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ফুজিতে ছয় হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় ঘন কুয়াশা ও বৃষ্টির মধ্যে একটি বেঞ্চে একা বসে ছিল সাত বছর বয়সী এক শিশু। শিশুটিকে সেখানে ফেলে চলে গিয়েছিলেন তার বাবা।

স্থানীয় সময় বৃস্পতিবার সকালে ৭টা দিকে একটি মাউন্টেন হাটের কর্মীরা ষষ্ঠ স্টেশনের কাছে বেঞ্চে শিশুটিকে একা বসে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির বাবা শুধু একটি কোমল পানীয় ও হালকা খাবার দিয়ে তাকে পাহাড়ে একটি বেঞ্চে অপেক্ষা করতে বলেন।

 

জানা গেছে, ৪৮ বছর বয়সী বাবা ও তার দুই ছেলে মাউন্ট ফুজির ফুজিনোমিয়া রুট দিয়ে চূড়ার দিকে উঠছিলেন। একপর্যায়ে সাত বছরের ছেলে ক্লান্ত হয়ে পড়লে বাবা তাকে বেঞ্চে বসে অপেক্ষা করতে বলেন। এরপর বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি পর্ততে আরোহণ অব্যাহত রাখেন।

 

পুলিশের বরাত দিয়ে জাপান টুডে জানিয়েছে, শিশুটির বাবা তখন সপ্তম ও অষ্টম স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ছিলেন। সেখান থেকে শিশুটির অবস্থানের জায়গায় ফিরতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগত।

পুলিশ শিশুটির বাবাকে খুঁজে বের করে ফিরিয়ে নিয়ে আসে এবং তাকে তিরস্কার করে। প্রায় আট ঘণ্টা একা অপেক্ষা করার পর শিশুটি ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়ে।

 

এক পুলিশ কর্মকর্তা ওই ব্যক্তিকে বলেন, কোনো শিশুকে এভাবে একা রেখে যাওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। পরে ওই বাবা তার ‘হঠকারী সিদ্ধান্তের’ জন্য ক্ষমা চান।

 

মাউন্ট ফুজির ফুজিনোমিয়া রুটটি পাহাড়ের পঞ্চম স্টেশন থেকে শুরু হয়। জায়গাটি পরিবহনে যাতায়াতযোগ্য। পর্বতারোহণ বিষয়ক গাইডদের মতে, সেখান থেকে চূড়ায় পৌঁছাতে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা এবং চূড়া থেকে নেমে আসতে আরও প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে।

 

১২ হাজার ৩৮৯ ফুট উচ্চতার মাউন্ট ফুজিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ মানুষ মাউন্ট ফুজিতে আরোহণ করেন। তবে অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি রুটে প্রতিদিনের পর্বতারোহীর সংখ্যা সীমিত রাখা হয়।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]