নিজস্ব প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাঘা থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্ট ভূক্ত দুই মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী কে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো দক্ষিণ গাঁও পাড়া গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে মহিদুল ইসলাম (২৯), চকছাতারী গ্রামের রুজদার আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দ্বীবাগত রাতে বাঘা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। অপরদিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সাবেক জামায়াত
নেতা দেলোয়ার হোসেন কে একই বিদ্যালয়ের আয়ার সাথে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আটক করেছে পুলিশ। জানা যায়,উপজেলার উত্তর গাঁওপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মুজাফফর এর বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে গত দুই বছর ধরে ভাড়া থাকতেন দেলোয়ার হোসেন ও আয়া। এর আগেও ওই আয়াকে নিয়ে আপত্তি
জানিয়ে দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন। সুত্রে জানা গেছে, ওই ভাড়া বাড়িতে এই আয়াকে নিয়ে মাঝে মাঝে ২-৩ ঘন্টা সময় কাটাতেন। বিনিময়ে বাড়ির মালিককে প্রতি মাসে ১৫০০/- ভাড়া দিতেন দেলোয়ার হোসেন। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাদের কে ভাড়া বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখে। এর পরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বাঘা থানার এসআই রেজাউল করিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি সেরাজুল হক বলেন, অস্থিশিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ধর্তব্য অপরাদ নিবারন কল্পে তাদেরকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে। অপরদিকে মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত দুই আসামীকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
রাজশাহীর বাঘা থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্ট ভূক্ত দুই মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী কে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো দক্ষিণ গাঁও পাড়া গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে মহিদুল ইসলাম (২৯), চকছাতারী গ্রামের রুজদার আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দ্বীবাগত রাতে বাঘা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। অপরদিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সাবেক জামায়াত
নেতা দেলোয়ার হোসেন কে একই বিদ্যালয়ের আয়ার সাথে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আটক করেছে পুলিশ। জানা যায়,উপজেলার উত্তর গাঁওপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মুজাফফর এর বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে গত দুই বছর ধরে ভাড়া থাকতেন দেলোয়ার হোসেন ও আয়া। এর আগেও ওই আয়াকে নিয়ে আপত্তি
জানিয়ে দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন। সুত্রে জানা গেছে, ওই ভাড়া বাড়িতে এই আয়াকে নিয়ে মাঝে মাঝে ২-৩ ঘন্টা সময় কাটাতেন। বিনিময়ে বাড়ির মালিককে প্রতি মাসে ১৫০০/- ভাড়া দিতেন দেলোয়ার হোসেন। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাদের কে ভাড়া বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখে। এর পরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বাঘা থানার এসআই রেজাউল করিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি সেরাজুল হক বলেন, অস্থিশিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ধর্তব্য অপরাদ নিবারন কল্পে তাদেরকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে। অপরদিকে মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত দুই আসামীকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।