নিজস্ব প্রতিবেদক
পাঠ মানুষকে প্রশ্ন করতে শেখায়, নিজের চিন্তাকে শানিত করে এবং সমাজ ও সময়কে নতুন চোখে দেখতে সাহায্য করে। সেই পাঠচর্চাকে কেন্দ্র করে তরুণদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে ‘আমার দেশ পাঠকমেলা’।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ আগস্ট আমার দেশ পত্রিকার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় আমার দেশ পাঠকমেলা, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা। এই সভায় ইডেন মহিলা কলেজের বিভিন্ন বিভাগের সদস্যরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতি বিভাগের সাদিয়া, মার্কেটিং বিভাগের মাইমুনা খান, ইংরেজি বিভাগের নুসরাত জাহান বৈশাখী ও শাম্মী শফিক জুঁই, রসায়ন বিভাগের মোসম্মৎ তানজিলা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের জোহরা হিমা এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মিথিলা আক্তার। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সমন্বয়ক ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পাঠকমেলা সম্পাদক সিয়াম আন নুফাইস এবং প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সিহাব। বিজ্ঞাপন আলোচনার শুরুতে পাঠকমেলার পরিচয়, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে সদস্যদের ধারণা দেওয়া হয়। পাঠকমেলার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সংগঠনটি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার লেখক, পাঠক, সাংবাদিক, শুভানুধ্যায়ী ও চিন্তাশীল নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত। সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনাও এর অন্যতম লক্ষ্য। তরুণদের সঙ্গে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠাকেও সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সভায় বিশেষ গুরুত্ব পায় ক্যাম্পাসভিত্তিক কার্যক্রম। পাঠকমেলার গঠনতন্ত্রে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসাকে কার্যক্রমের উপকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে সেমিনার, কর্মশালা ও পাঠচক্র আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে তরুণদের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় যুক্ত করা এবং তাদের নিজেদের চিন্তা ও অবস্থান প্রকাশের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্য রয়েছে। ইডেন মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে কীভাবে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, তা নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। নিয়মিত পাঠচক্র, আলোচনা সভা, সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের লেখালেখি, মতপ্রকাশ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
শিক্ষার্থীরা যেন শুধু পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমকালীন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়েন, প্রশ্ন করেন, বিশ্লেষণ করেন এবং নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন—এমন একটি অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে। আলোচনাটি একমুখী বক্তব্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। একপর্যায়ে ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সদস্যরা পাঠকমেলার কার্যক্রম, সাংগঠনিক কাঠামো এবং ক্যাম্পাসভিত্তিক উদ্যোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন পাঠকমেলা সম্পাদক সিয়াম আন নুফাইস ও প্রচার ও প্রকাশনা-বিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সিহাব। পাঠকমেলার কার্যক্রম কীভাবে আরো বিস্তৃত করা যায়, শিক্ষার্থীদের কীভাবে সম্পৃক্ত করা সম্ভব এবং ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে কী ধরনের পাঠচক্র, আলোচনা ও সৃজনশীল আয়োজন করা যেতে পারে—এসব বিষয় নিয়ে হয় বিস্তারিত মতবিনিময়। সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণে সভাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও কার্যকর।
তরুণদের নিজস্ব ভাবনা ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় প্রাধান্য পায়। পাঠকমেলার গঠনতন্ত্রে তরুণ পাঠকদের পছন্দ ও মতামত জানতে নিয়মিত জরিপ পরিচালনা এবং স্থানীয় সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে তাদের লেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইডেন মহিলা কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণকে কাজে লাগিয়ে এমন কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। সময়ের সঙ্গে পাঠচর্চার ধরন পরিবর্তনের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। তরুণদের কাছে পাঠ ও জ্ঞানচর্চাকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে তথ্যভিত্তিক ও দৃশ্যনির্ভর কনটেন্ট, ইনফোগ্রাফিক, কমিক ও আকর্ষণীয় ছবির ব্যবহারের কথা পাঠকমেলার গঠনতন্ত্রে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শহীদদের তালিকা ও তাদের গল্প তুলে ধরা, আহতদের অভিজ্ঞতা সামনে আনা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনী ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং তরুণদের নিয়ে আলোচনা ও প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। ১৫ আগস্টের এই মতবিনিময় সভা তাই শুধু পাঠকমেলার পরিচিতি তুলে ধরার আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছিল না; বরং ইডেন মহিলা কলেজ শাখার ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের একটি প্রাথমিক দিকনির্দেশনাও তৈরি করেছে। সদস্যদের প্রশ্ন, মতামত ও আগ্রহ দেখে বোঝা যায়, ক্যাম্পাসে পাঠ ও চিন্তাচর্চার একটি সক্রিয় পরিসর গড়ে তোলার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। পাঠকমেলার বৃহত্তর লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠচর্চা, মতবিনিময়, লেখালেখি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একটি বই থেকে জন্ম নেওয়া প্রশ্ন, সেই প্রশ্ন থেকে তৈরি হওয়া চিন্তা
এবং চিন্তা থেকে গড়ে ওঠা ইতিবাচক উদ্যোগ এই ধারাবাহিকতাকে সামনে রেখেই ইডেন মহিলা কলেজে পাঠকমেলার পথচলা আরো বিস্তৃত হোক। পাঠের মাধ্যমে চিন্তার বিকাশ এবং সেই চিন্তাকে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর প্রত্যয়েই এগিয়ে যাক এই নতুন যাত্রা।
পাঠ মানুষকে প্রশ্ন করতে শেখায়, নিজের চিন্তাকে শানিত করে এবং সমাজ ও সময়কে নতুন চোখে দেখতে সাহায্য করে। সেই পাঠচর্চাকে কেন্দ্র করে তরুণদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে ‘আমার দেশ পাঠকমেলা’।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ আগস্ট আমার দেশ পত্রিকার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় আমার দেশ পাঠকমেলা, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা। এই সভায় ইডেন মহিলা কলেজের বিভিন্ন বিভাগের সদস্যরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতি বিভাগের সাদিয়া, মার্কেটিং বিভাগের মাইমুনা খান, ইংরেজি বিভাগের নুসরাত জাহান বৈশাখী ও শাম্মী শফিক জুঁই, রসায়ন বিভাগের মোসম্মৎ তানজিলা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের জোহরা হিমা এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মিথিলা আক্তার। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সমন্বয়ক ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পাঠকমেলা সম্পাদক সিয়াম আন নুফাইস এবং প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সিহাব। বিজ্ঞাপন আলোচনার শুরুতে পাঠকমেলার পরিচয়, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে সদস্যদের ধারণা দেওয়া হয়। পাঠকমেলার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সংগঠনটি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার লেখক, পাঠক, সাংবাদিক, শুভানুধ্যায়ী ও চিন্তাশীল নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত। সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনাও এর অন্যতম লক্ষ্য। তরুণদের সঙ্গে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠাকেও সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সভায় বিশেষ গুরুত্ব পায় ক্যাম্পাসভিত্তিক কার্যক্রম। পাঠকমেলার গঠনতন্ত্রে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসাকে কার্যক্রমের উপকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে সেমিনার, কর্মশালা ও পাঠচক্র আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে তরুণদের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় যুক্ত করা এবং তাদের নিজেদের চিন্তা ও অবস্থান প্রকাশের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্য রয়েছে। ইডেন মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে কীভাবে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, তা নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। নিয়মিত পাঠচক্র, আলোচনা সভা, সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের লেখালেখি, মতপ্রকাশ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
শিক্ষার্থীরা যেন শুধু পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমকালীন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়েন, প্রশ্ন করেন, বিশ্লেষণ করেন এবং নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন—এমন একটি অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে। আলোচনাটি একমুখী বক্তব্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। একপর্যায়ে ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সদস্যরা পাঠকমেলার কার্যক্রম, সাংগঠনিক কাঠামো এবং ক্যাম্পাসভিত্তিক উদ্যোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন পাঠকমেলা সম্পাদক সিয়াম আন নুফাইস ও প্রচার ও প্রকাশনা-বিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সিহাব। পাঠকমেলার কার্যক্রম কীভাবে আরো বিস্তৃত করা যায়, শিক্ষার্থীদের কীভাবে সম্পৃক্ত করা সম্ভব এবং ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে কী ধরনের পাঠচক্র, আলোচনা ও সৃজনশীল আয়োজন করা যেতে পারে—এসব বিষয় নিয়ে হয় বিস্তারিত মতবিনিময়। সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণে সভাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও কার্যকর।
তরুণদের নিজস্ব ভাবনা ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় প্রাধান্য পায়। পাঠকমেলার গঠনতন্ত্রে তরুণ পাঠকদের পছন্দ ও মতামত জানতে নিয়মিত জরিপ পরিচালনা এবং স্থানীয় সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে তাদের লেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইডেন মহিলা কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণকে কাজে লাগিয়ে এমন কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। সময়ের সঙ্গে পাঠচর্চার ধরন পরিবর্তনের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। তরুণদের কাছে পাঠ ও জ্ঞানচর্চাকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে তথ্যভিত্তিক ও দৃশ্যনির্ভর কনটেন্ট, ইনফোগ্রাফিক, কমিক ও আকর্ষণীয় ছবির ব্যবহারের কথা পাঠকমেলার গঠনতন্ত্রে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শহীদদের তালিকা ও তাদের গল্প তুলে ধরা, আহতদের অভিজ্ঞতা সামনে আনা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনী ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং তরুণদের নিয়ে আলোচনা ও প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। ১৫ আগস্টের এই মতবিনিময় সভা তাই শুধু পাঠকমেলার পরিচিতি তুলে ধরার আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছিল না; বরং ইডেন মহিলা কলেজ শাখার ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের একটি প্রাথমিক দিকনির্দেশনাও তৈরি করেছে। সদস্যদের প্রশ্ন, মতামত ও আগ্রহ দেখে বোঝা যায়, ক্যাম্পাসে পাঠ ও চিন্তাচর্চার একটি সক্রিয় পরিসর গড়ে তোলার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। পাঠকমেলার বৃহত্তর লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠচর্চা, মতবিনিময়, লেখালেখি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একটি বই থেকে জন্ম নেওয়া প্রশ্ন, সেই প্রশ্ন থেকে তৈরি হওয়া চিন্তা
এবং চিন্তা থেকে গড়ে ওঠা ইতিবাচক উদ্যোগ এই ধারাবাহিকতাকে সামনে রেখেই ইডেন মহিলা কলেজে পাঠকমেলার পথচলা আরো বিস্তৃত হোক। পাঠের মাধ্যমে চিন্তার বিকাশ এবং সেই চিন্তাকে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর প্রত্যয়েই এগিয়ে যাক এই নতুন যাত্রা।