আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
বুধবার, ১৯ আগষ্ট ২০২৬ ইং ০৭:০০ পিএম. কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে ধামশ্রেনী ইউনিয়নে দায়িত্ব পেয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা।
কিন্তু অজ্ঞাত কারণে প্রশাসনের নীরবতায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) গভীর রাতে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচিতদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম মোঃ মিনহাজুল ইসলাম। তিনি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেনী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পদে রয়েছেন।
এ ঘটনায় উলিপুর উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ একরামুল হক উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও ) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানা গেছে, উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এই নেতার নাম দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে। তাদের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি কার্যক্রমে দায়িত্ব দেয়ার আগে যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। তবে বিএনপি’র একটি সুত্র বলছে, বিষয়টি ইউএনও’কে একাধিকবার বললেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে মোঃ মিনহাজুল ইসলামের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে উলিপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও কুড়িগ্রাম জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আবু জাফর সোহেল রানা
বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচির দায়িত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা ও রাজনৈতিক পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি কীভাবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।’ এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ফ্যামিলি
কার্ড সুপারভাইজার- তথ্যসংগ্রহকারী সেচ্ছাসেবক নির্বাচন কমিটির সভাপতি এ.টি.এম আরিফ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বুধবার, ১৯ আগষ্ট ২০২৬ ইং ০৭:০০ পিএম. কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে ধামশ্রেনী ইউনিয়নে দায়িত্ব পেয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা।
কিন্তু অজ্ঞাত কারণে প্রশাসনের নীরবতায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) গভীর রাতে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচিতদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম মোঃ মিনহাজুল ইসলাম। তিনি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেনী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পদে রয়েছেন।
এ ঘটনায় উলিপুর উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ একরামুল হক উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও ) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানা গেছে, উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এই নেতার নাম দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে। তাদের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি কার্যক্রমে দায়িত্ব দেয়ার আগে যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। তবে বিএনপি’র একটি সুত্র বলছে, বিষয়টি ইউএনও’কে একাধিকবার বললেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে মোঃ মিনহাজুল ইসলামের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে উলিপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও কুড়িগ্রাম জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আবু জাফর সোহেল রানা
বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচির দায়িত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা ও রাজনৈতিক পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি কীভাবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।’ এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ফ্যামিলি
কার্ড সুপারভাইজার- তথ্যসংগ্রহকারী সেচ্ছাসেবক নির্বাচন কমিটির সভাপতি এ.টি.এম আরিফ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।