ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৬নং আইন) এর ৮[ ১] বিধি মোতাবেক দখল ২১,২৫ শতাংশ জমি আদালতের মাধ্যমে ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিক মনোয়ারা বেগম । সোমবার (১০ আগষ্ট ) সকালে উপজেলা ভূমি অফিস ও ত্রিশাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় জমির মালিক মনোয়ারা বেগমকে বুঝিয়ে দেন আদালতের প্রতিনিধিদল।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা (ভূমি) কমিশনার মাহবুবুর রহমানের প্রতিনিধিদল সকালে ঘটনাস্থলে এসে জমির পরিমাপ করেন। পরে লাল নিশানা গেড়ে জমি হস্তান্তরের কাজ সম্পন্ন করেন। আদালত সূত্র জানায়, ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়ন মৌজার ২১.৭৫ শতাংশ জমি নিয়ে স্থানীয় ওয়াছেদ আলি আছাদ গংদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত মনোয়ারা বেগম জমির মালিক হিসেবে ঘোষণা দেন। রায়ের পর প্রতিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। পরে আদালতের নির্দেশে প্রশাসন জমিটি উচ্ছেদ করে প্রকৃত মালিকদের দখলে দেয়।
জমি ফিরে পেয়ে মনোয়ারা বেগম বলেন, দীর্ঘ মামলার জটিলতা শেষ করে আদালতের নির্দেশে উপজেলা (ভূমি) কমিশনার মাহবুবুর রহমানের প্রতিনিধি দল ও ত্রিশাল থানা পুলিশের সহায়তায় আমি জমি বুঝে পেয়েছি। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসন এবং যারা জায়গাটা বুঝে পেতে আন্তরিক সহযোগিতা করছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। উপজেলা (ভূমি)কমিশনার মাহবুবুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রকৃত মালিককে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশে আইনের শাসন আছে বলে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৬নং আইন) এর ৮[ ১] বিধি মোতাবেক দখল ২১,২৫ শতাংশ জমি আদালতের মাধ্যমে ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিক মনোয়ারা বেগম । সোমবার (১০ আগষ্ট ) সকালে উপজেলা ভূমি অফিস ও ত্রিশাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় জমির মালিক মনোয়ারা বেগমকে বুঝিয়ে দেন আদালতের প্রতিনিধিদল।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা (ভূমি) কমিশনার মাহবুবুর রহমানের প্রতিনিধিদল সকালে ঘটনাস্থলে এসে জমির পরিমাপ করেন। পরে লাল নিশানা গেড়ে জমি হস্তান্তরের কাজ সম্পন্ন করেন। আদালত সূত্র জানায়, ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়ন মৌজার ২১.৭৫ শতাংশ জমি নিয়ে স্থানীয় ওয়াছেদ আলি আছাদ গংদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত মনোয়ারা বেগম জমির মালিক হিসেবে ঘোষণা দেন। রায়ের পর প্রতিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। পরে আদালতের নির্দেশে প্রশাসন জমিটি উচ্ছেদ করে প্রকৃত মালিকদের দখলে দেয়।
জমি ফিরে পেয়ে মনোয়ারা বেগম বলেন, দীর্ঘ মামলার জটিলতা শেষ করে আদালতের নির্দেশে উপজেলা (ভূমি) কমিশনার মাহবুবুর রহমানের প্রতিনিধি দল ও ত্রিশাল থানা পুলিশের সহায়তায় আমি জমি বুঝে পেয়েছি। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসন এবং যারা জায়গাটা বুঝে পেতে আন্তরিক সহযোগিতা করছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। উপজেলা (ভূমি)কমিশনার মাহবুবুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রকৃত মালিককে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশে আইনের শাসন আছে বলে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।