ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুরে কল্লা শহীদ গেছুদারাস (রহ.) মাজারের বার্ষিক ওরশ উপলক্ষে জুমার নামাজে মুসল্লিদের ঢল নেমেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্ত-আশেকান ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মাজার এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। নামাজের কয়েক ঘণ্টা আগেই মাজার জামে মসজিদ ও আশপাশের এলাকা মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ১০টার পর থেকেই মাজার জামে মসজিদের দুই তলা ভবন মুসল্লিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। পরে মাজার শরিফের উঠানে জুমার নামাজের ব্যবস্থা করা হলেও সেখানেও জায়গা সংকুলান হয়নি।
একপর্যায়ে মাজারের দোতলা মার্কেট কাম রেস্ট হাউজের ছাদ, ভিআইপি কক্ষ, ফকিরি আসন, মাদরাসাসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানে নামাজের ব্যবস্থা করা হয়। জায়গা পাওয়া মাত্রই মুসল্লিরা সেখানেই নামাজের জন্য দাঁড়িয়ে যান। জুমার নামাজে স্থানীয় মুসল্লিদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ওরশে আসা হাজার হাজার ভক্ত-আশেকান অংশ নেন। মাজার জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. লুৎফর রহমান খান খাদেম ইমামতি করেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মাজার শরিফ পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. রুস্তম কামরান খাদেম বলেন, ওরশ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার ভক্ত-আশেকান মাজারে এসেছেন। জুমার নামাজে স্থানীয় মুসল্লিদের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন। মসজিদ, মাজার চত্বর ও আশপাশের যেসব স্থানে জায়গা ছিল, সেখানেই মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেছেন।
তিনি জানান, এবারের জুমার নামাজে প্রায় ২০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, ওরশকে কেন্দ্র করে দিনভর মাজার এলাকায় ভক্ত-আশেকানদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। জুমার নামাজকে ঘিরে মাজার ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাজার এলাকা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুরে কল্লা শহীদ গেছুদারাস (রহ.) মাজারের বার্ষিক ওরশ উপলক্ষে জুমার নামাজে মুসল্লিদের ঢল নেমেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্ত-আশেকান ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মাজার এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। নামাজের কয়েক ঘণ্টা আগেই মাজার জামে মসজিদ ও আশপাশের এলাকা মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ১০টার পর থেকেই মাজার জামে মসজিদের দুই তলা ভবন মুসল্লিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। পরে মাজার শরিফের উঠানে জুমার নামাজের ব্যবস্থা করা হলেও সেখানেও জায়গা সংকুলান হয়নি।
একপর্যায়ে মাজারের দোতলা মার্কেট কাম রেস্ট হাউজের ছাদ, ভিআইপি কক্ষ, ফকিরি আসন, মাদরাসাসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানে নামাজের ব্যবস্থা করা হয়। জায়গা পাওয়া মাত্রই মুসল্লিরা সেখানেই নামাজের জন্য দাঁড়িয়ে যান। জুমার নামাজে স্থানীয় মুসল্লিদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ওরশে আসা হাজার হাজার ভক্ত-আশেকান অংশ নেন। মাজার জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. লুৎফর রহমান খান খাদেম ইমামতি করেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মাজার শরিফ পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. রুস্তম কামরান খাদেম বলেন, ওরশ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার ভক্ত-আশেকান মাজারে এসেছেন। জুমার নামাজে স্থানীয় মুসল্লিদের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন। মসজিদ, মাজার চত্বর ও আশপাশের যেসব স্থানে জায়গা ছিল, সেখানেই মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেছেন।
তিনি জানান, এবারের জুমার নামাজে প্রায় ২০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, ওরশকে কেন্দ্র করে দিনভর মাজার এলাকায় ভক্ত-আশেকানদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। জুমার নামাজকে ঘিরে মাজার ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাজার এলাকা।