গ্যাস সংকটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজি ভাড়ায় নৈরাজ্যের অভিযোগ

আপলোড সময় : ১৪-০৮-২০২৬ ০২:২২:০২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৪-০৮-২০২৬ ০২:৩০:৪৪ অপরাহ্ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তীব্র গ্যাস সংকটের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন রুটে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। কোনো ধরনের ঘোষণা বা অনুমোদন ছাড়াই গ্যাস সংকটকে কারণ দেখিয়ে চালকরা নিজেদের মতো করে ভাড়া বাড়িয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। যাত্রীদের অভিযোগ, কাউতলী থেকে আখাউড়া বাইপাসের নির্ধারিত ভাড়া ৬০ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে ৮০ টাকা। একইভাবে কাউতলী থেকে চিনাইর পর্যন্ত ৫০ টাকার স্থলে ৭০ টাকা, সুলতানপুর পর্যন্ত ৩০ টাকার পরিবর্তে ৫০ টাকা এবং তন্তুর পর্যন্ত ১০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া কাউতলী থেকে নবীনগর আলিয়াবাদ গোলচত্বর পর্যন্ত সিএনজি অটোরিকশায় যাত্রীপ্রতি ১৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


চালকদের পক্ষ থেকে গ্যাস সংকটের কারণে গাড়ি চালানোর খরচ বেড়ে যাওয়ার কথা বলে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। একাধিক যাত্রী জানান, গ্যাস সংকটের কারণে পরিবহন সংকট তৈরি হওয়ায় তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই বাড়তি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করছেন। অতিরিক্ত ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানালে অনেক চালক যাত্রী নিতে চান না বলেও অভিযোগ রয়েছে। কাউতলী থেকে আলিয়াবাদ গোলচত্বরগামী এক যাত্রী বলেন, “গ্যাসের সমস্যা আছে, সেটা আমরা বুঝি। কিন্তু কোনো ঘোষণা বা অনুমোদন ছাড়াই নিজেদের মতো করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ১৫০ টাকা করে ভাড়া দিতে হচ্ছে। প্রতিবাদ করেও কোনো সমাধান হচ্ছে না।” আরেক ভুক্তভোগী বলেন, “জরুরি প্রয়োজনে প্রতিদিন আমাদের যাতায়াত করতে হয়। গ্যাস সংকটের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা।” এদিকে গ্যাস সংকটের কারণে জেলার বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ বা সীমিত থাকায় পরিবহন খাতেও এর প্রভাব পড়েছে। অনেক রুটে সিএনজি অটোরিকশার সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।


তবে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন ব্যয় বাড়লেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া ইচ্ছেমতো যাত্রীভাড়া বাড়ানোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যাত্রীরা। তাদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর করতে হবে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। যাত্রী হয়রানি বন্ধে পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]