আনিসুর রহমান, রিপোর্টর চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটির চাম্বল শাখার উদ্যোগে করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) কার্যক্রমের আওতায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলার নাপোড়া বাজারস্থ স্মার্ট কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, চাম্বল শাখার ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবদুল কাদের। এ সময় ব্যাংকের চাম্বল শাখার জিবি ইনচার্জ তানজিরুল আলম মানিক, বিনিয়োগ কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান ও মনিরুল মওলা মুকুলসহ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সাম্প্রতিক বন্যায় বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি, খাদ্যসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে সংকটে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো কঠিন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্বই নয়, এটি একটি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতারও অংশ।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব করতে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সামাজিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করবে। বক্তারা আরও বলেন, একটি ব্যাংকের সাফল্য শুধু আর্থিক লেনদেন বা ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে না। সমাজের মানুষের কল্যাণে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা কতটা কার্যকর, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সে দিক থেকে দুর্যোগের সময়ে বন্যাকবলিত মানুষের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক উদ্যোগ। স্থানীয়রা জানান, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ইসলামী ব্যাংকিং সেবার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে আসছে।ু শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দুর্যোগকালীন সহায়তা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যাংকটি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। চাম্বল শাখার কার্যক্রমও স্থানীয় পর্যায়ে বিস্তৃত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাখাটির গ্রাহক সংখ্যা ইতোমধ্যে ১০ হাজারের বেশি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় চাম্বল শাখার সঙ্গে স্থানীয় মানুষের একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। দুর্যোগের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ সেই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলেন, সমাজের মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা একটি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়বদ্ধতা। বিশেষ করে দুর্যোগের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত জরুরি। সিএসআর কার্যক্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতেও অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
ত্রাণসামগ্রী পেয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দুর্যোগের কঠিন সময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এতে তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। বিপদের সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু বন্যা নয়, ভবিষ্যতেও যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সংকটের সময়ে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অসহায় ও দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে এগিয়ে আসবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটির চাম্বল শাখার উদ্যোগে করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) কার্যক্রমের আওতায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলার নাপোড়া বাজারস্থ স্মার্ট কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, চাম্বল শাখার ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবদুল কাদের। এ সময় ব্যাংকের চাম্বল শাখার জিবি ইনচার্জ তানজিরুল আলম মানিক, বিনিয়োগ কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান ও মনিরুল মওলা মুকুলসহ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সাম্প্রতিক বন্যায় বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি, খাদ্যসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে সংকটে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো কঠিন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্বই নয়, এটি একটি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতারও অংশ।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব করতে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সামাজিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করবে। বক্তারা আরও বলেন, একটি ব্যাংকের সাফল্য শুধু আর্থিক লেনদেন বা ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে না। সমাজের মানুষের কল্যাণে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা কতটা কার্যকর, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সে দিক থেকে দুর্যোগের সময়ে বন্যাকবলিত মানুষের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক উদ্যোগ। স্থানীয়রা জানান, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ইসলামী ব্যাংকিং সেবার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে আসছে।ু শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দুর্যোগকালীন সহায়তা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যাংকটি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। চাম্বল শাখার কার্যক্রমও স্থানীয় পর্যায়ে বিস্তৃত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাখাটির গ্রাহক সংখ্যা ইতোমধ্যে ১০ হাজারের বেশি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় চাম্বল শাখার সঙ্গে স্থানীয় মানুষের একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। দুর্যোগের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ সেই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলেন, সমাজের মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা একটি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়বদ্ধতা। বিশেষ করে দুর্যোগের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত জরুরি। সিএসআর কার্যক্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতেও অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
ত্রাণসামগ্রী পেয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দুর্যোগের কঠিন সময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এতে তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। বিপদের সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু বন্যা নয়, ভবিষ্যতেও যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সংকটের সময়ে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অসহায় ও দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে এগিয়ে আসবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।