শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুরে অনুমোদন ছাড়াই মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা! বিশেষ প্রতিনিধি প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের অলিপুরে মোজাহের উচ্চ বিদ্যালয় ও জামিয়া মাদানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার সামনে অনুমোদন ছাড়াই মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে। মেলাকে ঘিরে সড়কের পাশে স্টল বসানো, জনভোগান্তি এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, মোজাহের উচ্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন মাদ্রাসার মাঠে বিভিন্ন ধরনের দোকান ও স্টল বসানো হয়েছে। মেলার কারণে অনু মিয়া সড়কের পাশের অংশেও মানুষের চলাচল ও যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মেলার বিভিন্ন স্টল থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করছেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ মনির। মেলা আয়োজনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলেও এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মেলার এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখানে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি স্টল রয়েছে। প্রতিটি স্টল থেকে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এই অর্থ কারা আদায় করছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে রাজি হননি ওই ব্যবসায়ী। এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে মেলা বসানো নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। তাদের আশঙ্কা, মেলার ভিড় ও শব্দের কারণে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাদ্রাসা শিক্ষক বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মেলার বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে তারা ভয় পাচ্ছেন। মোজাহের উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকও অভিযোগ করেন, মেলার বিষয়ে আপত্তি জানালে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে হয়রানির ভয় দেখানো হয়েছে। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, যুবদল নেতা মনির বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় পথচারীদের অভিযোগ, ব্যস্ত সড়কের পাশে মেলা বসানোর কারণে শিক্ষার্থী, পথচারী এবং ছোট শিশুদের নিয়ে চলাচলকারী অভিভাবকদের দুর্ভোগ বাড়ছে। তারা নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। মেলার অনুমোদনের বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে, সহকারী কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার চলতি দায়িত্বে থাকা আরিফুর রহমান শান্ত জানান, বাণিজ্য মেলা আয়োজনের বিষয়ে তিনি একটি গুঞ্জন শুনেছেন। তবে এ মেলার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। প্রশাসনের অনুমোদন না থাকার পরও কীভাবে একটি মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা চলছে-এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, মেলার অনুমোদন, সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশের জায়গা ব্যবহারের বৈধতা এবং স্টলপ্রতি অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া চলা এই মেলা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের অলিপুরে মোজাহের উচ্চ বিদ্যালয় ও জামিয়া মাদানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার সামনে অনুমোদন ছাড়াই মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে। মেলাকে ঘিরে সড়কের পাশে স্টল বসানো, জনভোগান্তি এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, মোজাহের উচ্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন মাদ্রাসার মাঠে বিভিন্ন ধরনের দোকান ও স্টল বসানো হয়েছে। মেলার কারণে অনু মিয়া সড়কের পাশের অংশেও মানুষের চলাচল ও যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মেলার বিভিন্ন স্টল থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করছেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ মনির। মেলা আয়োজনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলেও এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মেলার এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখানে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি স্টল রয়েছে। প্রতিটি স্টল থেকে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এই অর্থ কারা আদায় করছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে রাজি হননি ওই ব্যবসায়ী। এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে মেলা বসানো নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। তাদের আশঙ্কা, মেলার ভিড় ও শব্দের কারণে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাদ্রাসা শিক্ষক বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মেলার বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে তারা ভয় পাচ্ছেন। মোজাহের উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকও অভিযোগ করেন, মেলার বিষয়ে আপত্তি জানালে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে হয়রানির ভয় দেখানো হয়েছে। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, যুবদল নেতা মনির বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় পথচারীদের অভিযোগ, ব্যস্ত সড়কের পাশে মেলা বসানোর কারণে শিক্ষার্থী, পথচারী এবং ছোট শিশুদের নিয়ে চলাচলকারী অভিভাবকদের দুর্ভোগ বাড়ছে। তারা নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। মেলার অনুমোদনের বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে, সহকারী কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার চলতি দায়িত্বে থাকা আরিফুর রহমান শান্ত জানান, বাণিজ্য মেলা আয়োজনের বিষয়ে তিনি একটি গুঞ্জন শুনেছেন। তবে এ মেলার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। প্রশাসনের অনুমোদন না থাকার পরও কীভাবে একটি মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা চলছে-এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, মেলার অনুমোদন, সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশের জায়গা ব্যবহারের বৈধতা এবং স্টলপ্রতি অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া চলা এই মেলা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।