ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার খরমপুর কেল্লা শাহ মাজারের বাৎসরিক ওরসে অংশ নিতে ১২১ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিচ্ছে একদল ভক্ত। দীর্ঘ পথের ক্লান্তি উপেক্ষা করে তাদের এই পদযাত্রা ইতোমধ্যে মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকা অতিক্রম করার সময় তাদের দেখা যায়। কাঁধে প্রয়োজনীয় সামগ্রী, পায়ে দীর্ঘ পথচলার ক্লান্তি—তবুও গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চলেছেন তারা। তাদের লক্ষ্য আখাউড়ার ঐতিহ্যবাহী খরমপুর কেল্লা শাহ মাজারে পৌঁছে বাৎসরিক ওরসে অংশ নেওয়া।
ঢাকা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত প্রায় ১২১ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে যাওয়ার এই যাত্রা তাদের ভক্তি, আগ্রহ ও আধ্যাত্মিক টানেরই বহিঃপ্রকাশ বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। পথে বিভিন্ন স্থান অতিক্রম করতে গিয়ে স্থানীয়দের কৌতূহলী দৃষ্টি ও শুভেচ্ছাও পাচ্ছেন তারা। দীর্ঘ পথের কষ্টকে পেছনে ফেলে তারা এগিয়ে যাচ্ছেন নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে।
প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ খরমপুর কেল্লা শাহ মাজারের ওরসে অংশ নিতে আখাউড়ায় ছুটে আসেন। তবে দীর্ঘ ১২১ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে ওরসে যোগ দেওয়ার এই ব্যতিক্রমী যাত্রা আলাদা করে নজর কেড়েছে।
ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার খরমপুর কেল্লা শাহ মাজারের বাৎসরিক ওরসে অংশ নিতে ১২১ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিচ্ছে একদল ভক্ত। দীর্ঘ পথের ক্লান্তি উপেক্ষা করে তাদের এই পদযাত্রা ইতোমধ্যে মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকা অতিক্রম করার সময় তাদের দেখা যায়। কাঁধে প্রয়োজনীয় সামগ্রী, পায়ে দীর্ঘ পথচলার ক্লান্তি—তবুও গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চলেছেন তারা। তাদের লক্ষ্য আখাউড়ার ঐতিহ্যবাহী খরমপুর কেল্লা শাহ মাজারে পৌঁছে বাৎসরিক ওরসে অংশ নেওয়া।
ঢাকা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত প্রায় ১২১ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে যাওয়ার এই যাত্রা তাদের ভক্তি, আগ্রহ ও আধ্যাত্মিক টানেরই বহিঃপ্রকাশ বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। পথে বিভিন্ন স্থান অতিক্রম করতে গিয়ে স্থানীয়দের কৌতূহলী দৃষ্টি ও শুভেচ্ছাও পাচ্ছেন তারা। দীর্ঘ পথের কষ্টকে পেছনে ফেলে তারা এগিয়ে যাচ্ছেন নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে।
প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ খরমপুর কেল্লা শাহ মাজারের ওরসে অংশ নিতে আখাউড়ায় ছুটে আসেন। তবে দীর্ঘ ১২১ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে ওরসে যোগ দেওয়ার এই ব্যতিক্রমী যাত্রা আলাদা করে নজর কেড়েছে।