এম এম সামছুল ইসলাম.
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার শিলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদ (৫৫) স্যার আর আমাদের মাঝে নেই (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। আজ রবিবার সকাল ১২ টা ৩০ মিনিটের সময় সিলেটের একটি ক্লিনিকে ইন্তেকাল হয়েছেন। পরে বিকেলে তিনির লাশ এরালিগুলের নিজ বাড়িতে নিয়ে আসলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। মানুষ গড়ার কারিগর এই মনের মানুষটিকে দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে তার প্রিয়জনসহ এলাকার লোকজন জড়ো হতে থাকেন। তখন তিল ধরনের ঠাঁই ছিল না উঠোনে। শুধু স্যারকে এক নজর দেখে ছাত্র/ শিক্ষক ও এলাকার লোকজন কারো চোখে জল ছাড়া দেখা মেলেনি।
কবির ভাষায় "এমন জীবন তুমি করিবে গঠন, মরিলে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভুবন"। সত্যিই তাঁর জীবনে এর প্রতিফলন দেখতে পেলেন আগতরা। পরে সন্ধ্যায় বাদ মাগরিব তিনির নিজ পঞ্চায়েতের মসজিদে জানাজার নামাজ পড়তে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লীরা জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে মসজিদের ভিতর- বাহিরে এবং আঙ্গিনায় জায়গা না পেয়ে অনেকেই পাশের রাস্তায় ও বাড়িতে দাঁড়িয়ে জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে। জানাজা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নয়াবাজার ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ লিয়াকত আলী খান, লিলুয়া কলেজের প্রিন্সিপাল তাজুর রহমান, মৌলভিবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি মহিবুল হক, রাজনগর উপজেলা সভাপতি আবুল কালাম, বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কায়দি আজম, জুড়ী উপজেলা সেক্রেটারি মহিবুর রহমান, উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সেক্রেটার মাসুক আহমদ মাস্টার নুরুদ্দিন ও মাও : আলতাফ হোসেন প্রমুখ।
পরে তিনির ছেলের ইমামতিতে জানাজা শেষে ওই মসজিদের পাশে তিনিকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ২ ছেলে ও অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার শিলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদ (৫৫) স্যার আর আমাদের মাঝে নেই (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। আজ রবিবার সকাল ১২ টা ৩০ মিনিটের সময় সিলেটের একটি ক্লিনিকে ইন্তেকাল হয়েছেন। পরে বিকেলে তিনির লাশ এরালিগুলের নিজ বাড়িতে নিয়ে আসলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। মানুষ গড়ার কারিগর এই মনের মানুষটিকে দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে তার প্রিয়জনসহ এলাকার লোকজন জড়ো হতে থাকেন। তখন তিল ধরনের ঠাঁই ছিল না উঠোনে। শুধু স্যারকে এক নজর দেখে ছাত্র/ শিক্ষক ও এলাকার লোকজন কারো চোখে জল ছাড়া দেখা মেলেনি।
কবির ভাষায় "এমন জীবন তুমি করিবে গঠন, মরিলে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভুবন"। সত্যিই তাঁর জীবনে এর প্রতিফলন দেখতে পেলেন আগতরা। পরে সন্ধ্যায় বাদ মাগরিব তিনির নিজ পঞ্চায়েতের মসজিদে জানাজার নামাজ পড়তে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লীরা জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে মসজিদের ভিতর- বাহিরে এবং আঙ্গিনায় জায়গা না পেয়ে অনেকেই পাশের রাস্তায় ও বাড়িতে দাঁড়িয়ে জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে। জানাজা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নয়াবাজার ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ লিয়াকত আলী খান, লিলুয়া কলেজের প্রিন্সিপাল তাজুর রহমান, মৌলভিবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি মহিবুল হক, রাজনগর উপজেলা সভাপতি আবুল কালাম, বড়লেখা উপজেলা সভাপতি কায়দি আজম, জুড়ী উপজেলা সেক্রেটারি মহিবুর রহমান, উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সেক্রেটার মাসুক আহমদ মাস্টার নুরুদ্দিন ও মাও : আলতাফ হোসেন প্রমুখ।
পরে তিনির ছেলের ইমামতিতে জানাজা শেষে ওই মসজিদের পাশে তিনিকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ২ ছেলে ও অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।