বালু লুট বন্ধে প্রতিবাদ, চর সোনারামপুর রক্ষায় তরী বাংলাদেশ

আপলোড সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ১০:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ১০:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, চর সোনারামপুর রক্ষা এবং নদী-প্রকৃতি সুরক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন ‘তরী বাংলাদেশ’। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে আশুগঞ্জ উপজেলার চর সোনারামপুরে মেঘনা নদীর তীরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, জেলে-মাঝি, নদী ও পরিবেশকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে নিয়ে ‘দেশ ও পরিবেশ বাঁচাতে নদী বাঁচাও’, ‘অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ কর’, ‘নদী বাঁচাও, পরিবেশ বাঁচাও’, ‘জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নদী বাঁচাও’ এবং ‘আগামী প্রজন্মের জন্য নদী বাঁচাও’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।



প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তীরবর্তী এলাকা ও চর সোনারামপুরের বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। অব্যাহতভাবে বালু উত্তোলন করা হলে নদীভাঙন বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তারা অবিলম্বে মেঘনা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, বালুমহালের নামে পরিচালিত অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা এবং চর সোনারামপুরের বাঁধ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। স্থানীয় স্কুলশিক্ষক শিপন দাস বলেন, “বারবার প্রতিবাদ করেও আমরা কোনো সমাধান পাচ্ছি না। আমরা এখন ভয় ও শঙ্কার মধ্যে আছি—আমাদের গ্রামটি আদৌ রক্ষা হবে কি না।


আমরা যাদের কাছে যাচ্ছি, সবাই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন; কিন্তু বাস্তবে কোনো সমাধান হচ্ছে না।” তরী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, “আমরা চর সোনারামপুর ঘুরে দেখেছি। এখানকার মানুষ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, প্রায় প্রতি রাতেই গ্রামের চারপাশে অসংখ্য ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে কোনো বালুমহাল ইজারা দেওয়া নেই। যারা এখানে বালু উত্তোলন করছে, তারা কিশোরগঞ্জের। তারা সীমানা অতিক্রম করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অংশে এসে বালু উত্তোলন করছে। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই চর সোনারামপুর গ্রামটি হারিয়ে যেতে পারে।” কর্মসূচিতে তরী বাংলাদেশের সদস্য সোহেল রানা ভূইয়া, সুশান্ত পাল, খাইরুজ্জামান ইমরান, নাজমুল খান, বাচ্চু মিয়াসহ স্থানীয় বাসিন্দা, জেলে-মাঝি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]