নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশকাল: ৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৪ পি.এম বিআইডব্লিউটিএ’র সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, জাল সনদ ব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৫ বছরে দুর্নীতির অভিযোগসংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনায় প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমানের নাম উঠে এসেছে। ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্পে নদী খননের নামে ১৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভোগাই ও কংস নদ খননের নামে ব্যাপক অর্থ আত্মসাৎ, জাল সনদ ব্যবহার, একাধিক গাড়ি ও বেনামি সম্পদের মালিক হওয়া এবং একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের প্রভাবের মধ্যে রেখে অবৈধ উপায়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, তাঁর নেতৃত্বে বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং শাখায় একটি শক্তিশালী অনিয়ম ও দুর্নীতির চক্র গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই চক্র দরপত্র, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে কয়েক শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করলেও দীর্ঘসূত্রতার কারণে মামলাসংক্রান্ত কার্যক্রম দৃশ্যমান অগ্রগতি পায়নি।
অভিযোগ রয়েছে, দুদকের কিছু দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তার সহায়তায় তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ও তদবির অব্যাহত রয়েছে। এর আগে সাইদুর রহমান, তাঁর স্ত্রীসহ অন্যদের সম্পদের তথ্যবিবরণী জমা পড়লেও তিন বছরেও তা যাচাই সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে নামমাত্র খননের কাগজপত্র তৈরি করে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্পের কাজে অংশ নেওয়া ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে সাইদুর রহমান ও তাঁর সহযোগীরা ওই অর্থ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে, দীর্ঘ সময় একটানা একই পদে বহাল থেকে সাইদুর রহমান সরকারি চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডি থেকে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর তথ্য গোপন করে ২০০৩ সালে তিনি বিআইডব্লিউটিএতে চাকরি নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর একাধিক সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি চেয়েছেন।
তাঁরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। সাম্প্রতিক অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষিত দুর্নীতিবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্ত করে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মচারী ও সচেতন মহল। সূত্রগুলোর দাবি, বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগের নাম এখন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। প্রকৌশলী সাইদুর রহমানকে ঘিরে গড়ে ওঠা কথিত অনিয়ম ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও দুর্নীতি দমন কমিশন কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নজর রয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমানের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এ কারণে এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।
প্রকাশকাল: ৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৪ পি.এম বিআইডব্লিউটিএ’র সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, জাল সনদ ব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৫ বছরে দুর্নীতির অভিযোগসংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনায় প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমানের নাম উঠে এসেছে। ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্পে নদী খননের নামে ১৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভোগাই ও কংস নদ খননের নামে ব্যাপক অর্থ আত্মসাৎ, জাল সনদ ব্যবহার, একাধিক গাড়ি ও বেনামি সম্পদের মালিক হওয়া এবং একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের প্রভাবের মধ্যে রেখে অবৈধ উপায়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, তাঁর নেতৃত্বে বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং শাখায় একটি শক্তিশালী অনিয়ম ও দুর্নীতির চক্র গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই চক্র দরপত্র, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে কয়েক শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করলেও দীর্ঘসূত্রতার কারণে মামলাসংক্রান্ত কার্যক্রম দৃশ্যমান অগ্রগতি পায়নি।
অভিযোগ রয়েছে, দুদকের কিছু দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তার সহায়তায় তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ও তদবির অব্যাহত রয়েছে। এর আগে সাইদুর রহমান, তাঁর স্ত্রীসহ অন্যদের সম্পদের তথ্যবিবরণী জমা পড়লেও তিন বছরেও তা যাচাই সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে নামমাত্র খননের কাগজপত্র তৈরি করে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্পের কাজে অংশ নেওয়া ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে সাইদুর রহমান ও তাঁর সহযোগীরা ওই অর্থ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে, দীর্ঘ সময় একটানা একই পদে বহাল থেকে সাইদুর রহমান সরকারি চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডি থেকে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর তথ্য গোপন করে ২০০৩ সালে তিনি বিআইডব্লিউটিএতে চাকরি নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর একাধিক সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি চেয়েছেন।
তাঁরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। সাম্প্রতিক অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষিত দুর্নীতিবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্ত করে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মচারী ও সচেতন মহল। সূত্রগুলোর দাবি, বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগের নাম এখন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। প্রকৌশলী সাইদুর রহমানকে ঘিরে গড়ে ওঠা কথিত অনিয়ম ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও দুর্নীতি দমন কমিশন কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নজর রয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমানের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এ কারণে এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।