স্টাফ রিপোর্টারঃ
বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠানে সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন দেশের জনপ্রিয় বাউল কবি আব্দুস সালাম সরকার। বীর ইশাখাঁ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে গত (২৮ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। লোকসংগীত ও বাউল ধারার বিকাশে দীর্ঘদিনের অসামান্য অবদান, মৌলিক গান রচনা এবং সুরসৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর আগে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেও তিনি একাধিক সম্মাননা ও পদকে ভূষিত হয়েছেন। জানা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যয়নকালেই বাউল গানের সঙ্গে তাঁর পথচলা শুরু হয়। তাঁর প্রথম গুরু ছিলেন নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার বৈশ্যপাট্টার প্রখ্যাত বাউল শিল্পী আবেদ আলী সরকার। পরবর্তীতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার খ্যাতিমান বাউল শিল্পী মকবুল হোসেনের কাছে তিনি সংগীতের আরও গভীর সাধনা করেন।
বাউল কবি আব্দুস সালাম সরকার এ পর্যন্ত দুই হাজারেরও বেশি গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- ‘জীবন মানে যন্ত্রণা’, ‘কি সুন্দর এক গানের পাখি’, ‘তুই আমার জীবনরে বন্ধু’, ‘কেন হলো দেখা রে’ ‘জীবন আমার এলোমেলো হলো’। তাঁর রচিত বেশ কয়েকটি গান বাংলা ভাষার গণ্ডি পেরিয়ে হিন্দি ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। কলকাতার স্বনামধন্য শিল্পীরাও এসব গান পরিবেশন করছেন, যা তাঁর সৃষ্টিকর্মের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পুরস্কার প্রাপ্তির পর বাউল কবি সালাম সরকার বলেন,‘গুণীজন সংবর্ধনা-২০২৬’ সম্মাননা গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। এই সম্মাননা আমার একার নয়- এটি আমার সকল শ্রোতা, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহশিল্পী ও পরিবারের সবার।আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই বীর ইশাখাঁ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদকে, যারা আমার দীর্ঘদিনের সংগীতসাধনার মূল্যায়ন করেছেন। বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই আমার প্রথম গুরু বাউল আবেদ আলী সরকার এবং দ্বিতীয় গুরু বাউল শিল্পী মকবুল হোসেনের প্রতি।
তাঁদের শিক্ষা ও দিকনির্দেশনাই আমাকে আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। দেশ ও দেশের বাহিরের সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ- আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন গানকে বুকে ধারন করেই আমার জীবনের বাকি সময় চলে যায়। গুণীজন সংবর্ধনা-২০২৬-এ সম্মাননা লাভ করায় বাউল কবি আব্দুস সালাম সরকারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ী, সংস্কৃতিপ্রেমী এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বল নেত্রকোণা
বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠানে সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন দেশের জনপ্রিয় বাউল কবি আব্দুস সালাম সরকার। বীর ইশাখাঁ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে গত (২৮ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। লোকসংগীত ও বাউল ধারার বিকাশে দীর্ঘদিনের অসামান্য অবদান, মৌলিক গান রচনা এবং সুরসৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর আগে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেও তিনি একাধিক সম্মাননা ও পদকে ভূষিত হয়েছেন। জানা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যয়নকালেই বাউল গানের সঙ্গে তাঁর পথচলা শুরু হয়। তাঁর প্রথম গুরু ছিলেন নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার বৈশ্যপাট্টার প্রখ্যাত বাউল শিল্পী আবেদ আলী সরকার। পরবর্তীতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার খ্যাতিমান বাউল শিল্পী মকবুল হোসেনের কাছে তিনি সংগীতের আরও গভীর সাধনা করেন।
বাউল কবি আব্দুস সালাম সরকার এ পর্যন্ত দুই হাজারেরও বেশি গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- ‘জীবন মানে যন্ত্রণা’, ‘কি সুন্দর এক গানের পাখি’, ‘তুই আমার জীবনরে বন্ধু’, ‘কেন হলো দেখা রে’ ‘জীবন আমার এলোমেলো হলো’। তাঁর রচিত বেশ কয়েকটি গান বাংলা ভাষার গণ্ডি পেরিয়ে হিন্দি ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। কলকাতার স্বনামধন্য শিল্পীরাও এসব গান পরিবেশন করছেন, যা তাঁর সৃষ্টিকর্মের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পুরস্কার প্রাপ্তির পর বাউল কবি সালাম সরকার বলেন,‘গুণীজন সংবর্ধনা-২০২৬’ সম্মাননা গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। এই সম্মাননা আমার একার নয়- এটি আমার সকল শ্রোতা, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহশিল্পী ও পরিবারের সবার।আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই বীর ইশাখাঁ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদকে, যারা আমার দীর্ঘদিনের সংগীতসাধনার মূল্যায়ন করেছেন। বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই আমার প্রথম গুরু বাউল আবেদ আলী সরকার এবং দ্বিতীয় গুরু বাউল শিল্পী মকবুল হোসেনের প্রতি।
তাঁদের শিক্ষা ও দিকনির্দেশনাই আমাকে আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। দেশ ও দেশের বাহিরের সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ- আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন গানকে বুকে ধারন করেই আমার জীবনের বাকি সময় চলে যায়। গুণীজন সংবর্ধনা-২০২৬-এ সম্মাননা লাভ করায় বাউল কবি আব্দুস সালাম সরকারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ী, সংস্কৃতিপ্রেমী এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বল নেত্রকোণা