আব্দুল্লাহ আল নোমান ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পৈতৃক এজমালি সম্পত্তির দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা জোরপূর্বক বন্ধ করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের তারাটি গ্রামের হলুদ ভূঁইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হলুদ ভূঁইয়া ও তার পরিবার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া এজমালি সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছেন। বাড়িতে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত যৌথ রাস্তাটি সম্প্রতি তার বড় ভাই আলী আহমেদ মজনু এবং ভাতিজা আরমান আলী জোরপূর্বক বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন। পূর্বে সীমানা ভাগ বাটোয়ারা ও চলাচলের পথ নির্দিষ্ট থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা তা অমান্য করে বসতঘরের সম্মুখে দেয়াল নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ফলে অভিযোগকারীর পরিবারের স্বাভাবিক যাতায়াত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। ভুক্তভোগী জানান, এর আগেও অভিযুক্তরা তাদের তৈরি একটি দেয়াল ভাঙচুর করে এবং তার স্ত্রী খাতুনে জান্নাতকে মারধর করে। উক্ত ঘটনায় গত ২২ জুলাই ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। ঘটনার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাশেদ মোশাররফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও সমস্যার স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। সমাধান না হওয়ায় অভিযুক্তরা পুনরায় অবৈধভাবে দেয়াল নির্মাণ শুরু করে। অভিযোগের বিষয়ে আলী আহমেদ মজনুর স্ত্রী কল্পনা বেগম বলেন, আমরা আমাদের নিজস্ব জায়গাতেই ঘর নির্মাণ করছি। চলাচলের জন্য আমাদের অংশ থেকে চার ফুটেরও বেশি জায়গা ফাঁকা রেখেই নির্মাণকাজ করা হচ্ছে। ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল আজম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর এসআই রাশেদ মোশাররফকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাউদ্দিন বিশ্বাস জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পৈতৃক এজমালি সম্পত্তির দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা জোরপূর্বক বন্ধ করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের তারাটি গ্রামের হলুদ ভূঁইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হলুদ ভূঁইয়া ও তার পরিবার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া এজমালি সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছেন। বাড়িতে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত যৌথ রাস্তাটি সম্প্রতি তার বড় ভাই আলী আহমেদ মজনু এবং ভাতিজা আরমান আলী জোরপূর্বক বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন। পূর্বে সীমানা ভাগ বাটোয়ারা ও চলাচলের পথ নির্দিষ্ট থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা তা অমান্য করে বসতঘরের সম্মুখে দেয়াল নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ফলে অভিযোগকারীর পরিবারের স্বাভাবিক যাতায়াত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। ভুক্তভোগী জানান, এর আগেও অভিযুক্তরা তাদের তৈরি একটি দেয়াল ভাঙচুর করে এবং তার স্ত্রী খাতুনে জান্নাতকে মারধর করে। উক্ত ঘটনায় গত ২২ জুলাই ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। ঘটনার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাশেদ মোশাররফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও সমস্যার স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। সমাধান না হওয়ায় অভিযুক্তরা পুনরায় অবৈধভাবে দেয়াল নির্মাণ শুরু করে। অভিযোগের বিষয়ে আলী আহমেদ মজনুর স্ত্রী কল্পনা বেগম বলেন, আমরা আমাদের নিজস্ব জায়গাতেই ঘর নির্মাণ করছি। চলাচলের জন্য আমাদের অংশ থেকে চার ফুটেরও বেশি জায়গা ফাঁকা রেখেই নির্মাণকাজ করা হচ্ছে। ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল আজম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর এসআই রাশেদ মোশাররফকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাউদ্দিন বিশ্বাস জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।