জনপ্রতিনিধিরাও আতঙ্কে কেন বাড়িঘর ফেলে যাচ্ছে টেকনাফের মানুষ?

আপলোড সময় : ০৩-০৮-২০২৬ ১০:০৫:৪৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৮-২০২৬ ১০:০৭:৫০ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক

টেকনাফের কচ্ছপিয়ার পাহাড়ি এলাকা দিন-রাত থেমে নেই গুলির শব্দ। পাহাড়ঘেরা জনপদে এখন আর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নেই। সন্ধ্যা নামলেই আতঙ্ক, শুরু হয় গোলাগুলির শব্দ। সেই আতঙ্কের মধ্যেই একের পর এক অপহরণের ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া-নোয়াখালী এলাকার বাসিন্দারা। প্রাণভয়ে ইতোমধ্যে পাহাড়ঘেঁষা দুই গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।


আবার অনেকে রাত হলে বাড়িতে থাকছে না। এমনকি জনপ্রতিনিধিরাও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বলে জানিয়েছেন। ‎এমন পরিস্থিতি চলছে গত কয়েক মাস ধরে। এর আগে মাঝেমধ্যে এসব ঘটনা ঘটলেও এখন নিত্যদিন ঘটছে। এ অবস্থায় উখিয়া-টেকনাফসহ বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পোস্টার টানিয়ে অপহরণ বন্ধে প্রতিবাদ চলমান রয়েছে। ‎ ‎একের পর এক অপহরণ ‎ ‎গত ১৭ জুলাই বিকালে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নয়াপাড়া এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশ থেকে শিশু মো. আরাফাতকে (১২) অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায় পাহাড়ের অস্ত্রধারীরা। পরদিন চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরিয়ে আনা হয়। ‎ ‎গত ২৮ জুন দুপুরে একই ইউনিয়নের নোয়াখালী জুম্মাপাড়ায় পাহাড় থেকে নেমে আসে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি। ‎ ‎


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা অস্ত্রের মুখে একটি বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে চিকিৎসক কামাল উদ্দিনকে (৬৫) অপহরণ করে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। এখনও তার কোনও সন্ধান মেলেনি। এর আগে একই এলাকার বাসিন্দা হোসেন আলীকে (৫০) অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয়েছিল। পরে পরিবারের সদস্যরা মুক্তিপণ দেওয়ার পর তিনি ফিরে আসেন। ‎ ‎স্থানীয় লোকজন বলছেন, বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী ও কচ্ছপিয়া পাহাড়ঘেঁষা এলাকায় প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস।


সম্প্রতি সময়ে অব্যাহত গোলাগুলি ও একের পর এক অপহরণের ঘটনায় সবার মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। আরও অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]