স্টাফ রিপোর্টার:
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চল কড়াকড়ি বাড়ায় এবং গাছ চুরির সুযোগ না দেওয়ায় পাইকপাড়া ইউনিয়নের একদল চিহ্নিত অসাধু চক্র ও বনদস্যুরা শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও সরানোর ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়ে মোবাইল ফোনে হুমকি ধামকি সহ বিভিন্ন দপ্তরে নামে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। এলাকার সচেতন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ সূত্রে জানায়, রঘুনন্দন রেঞ্জের শালটিলা বনের গাছ কাটা ঘটনার প্রকৃত তথ্য আড়াল করতে উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী বিএনপি'র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ত্ব জনমত তৈরির করার জন্য অপপ্রচার চেষ্টা চালাচ্ছে শালটিলা বন বিটের কর্মকর্তা। তিনি শালটিলা বন বিট দায়িত্ব নেওয়ার পর হতে একজন সৎ সাহসী ও কঠোর থাকায় বনের গাছ কাটতে দিচ্ছে না বন বিট কর্মকর্তা চিহ্নিত বনদস্যুকে। যার ফলে ঐ এলাকার একদল চিহ্নিত বনদস্যুরা চুনারুঘাটে রঘুনন্দন রেঞ্জে রাতের আধারে গাছ কাটতে অবৈধ সুযোগ সুবিধা না পেয়ে সৎ, সাহসী ও কঠোর বন বিট কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও নানা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।
এদিকে সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন সন্ধা ৬ টা দিকে শালটিলা বন বিট অধীনেস্থ ফুলছড়া বন ক্যাম্পের ভেতরে মাঝে মধ্যে রাতের বেলায় গাছ কেটে নিয়ে গেলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে একদল চিহ্নিত বনদস্যুরা। বনদস্যুরা দূরে থেকে ফুলছড়া বন ক্যাম্পের ভেতরে দিন মজুরি লোকজনকে দিয়ে নিরবে গাছ কাঠানো হয়। এসব গাছ কাটার পর ৩/৪ গজ দূরে নিয়ে টুকরো করে টেলা বেন গাড়ি দিয়ে বদরগাজী এলাকায় স্তুপ করে রাখা হয়। পরে এসব গাছ গুলো বিক্রি করে দেয় অন্য লোকের কাছে। এ গাছ গুলো ক্রয় করে অন্য লোকজন সকালে বা বিকেলে পিকআপ, টমটম, ডায়না, ট্রাক্টর, ট্রলি দিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ, শানখলা, শাকির মোহাম্মদ সহ বিভিন্ন করাত কলে পাঠিয়ে ছিঁড়ানো হয়ে থাকে । ছিঁড়ানো কাঠ গুলো বিভিন্ন জায়গায় ফার্নিসার কারখানাতে পাঠানো হয়ে থাকে। গত ১৮ জুন ফুলছড়ি ক্যাম্পে ভেতরে নিরবে গাছ কাটা সংবাদ পেয়ে শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা ও অন্যান্য বন বিটের স্টাফদেরকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে কাঁপাই চা বাগানের দূর্গা মুন্ডা ছেলে দিন মজুরি জাফর মিলন মুন্ডা (৩২) কে দিয়ে বেশ কয়েকটি গাছ কর্তন করা সময় হাতে নাতে আটক করে। পরের দিন বন আদালতে সোপর্দ করে জেল হাজতে প্রেরন করে এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় দৈনিক সংবাদ প্রকাশ হয়।
বন আদালতে মামলা হলে এ জিদ ধরে পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী সহ অন্যান্য গ্রামের একদল চিহ্নিত বনদস্যুরা শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা ও অন্যান্য স্টাফদের বিরুদ্ধে তাদের দেওয়া অন্য সংবাদকর্মীকে দিয়ে আজগুবি মিথ্যা অপপ্রচার সংবাদপত্রে এবং তাদেরকে সরানোর জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র, মোবাইলে হুমকি ধামকি সহ বিভিন্ন দপ্তরে নামে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে বলে এলাকার সচেতন লোকজন জানান।
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চল কড়াকড়ি বাড়ায় এবং গাছ চুরির সুযোগ না দেওয়ায় পাইকপাড়া ইউনিয়নের একদল চিহ্নিত অসাধু চক্র ও বনদস্যুরা শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও সরানোর ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়ে মোবাইল ফোনে হুমকি ধামকি সহ বিভিন্ন দপ্তরে নামে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। এলাকার সচেতন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ সূত্রে জানায়, রঘুনন্দন রেঞ্জের শালটিলা বনের গাছ কাটা ঘটনার প্রকৃত তথ্য আড়াল করতে উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী বিএনপি'র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ত্ব জনমত তৈরির করার জন্য অপপ্রচার চেষ্টা চালাচ্ছে শালটিলা বন বিটের কর্মকর্তা। তিনি শালটিলা বন বিট দায়িত্ব নেওয়ার পর হতে একজন সৎ সাহসী ও কঠোর থাকায় বনের গাছ কাটতে দিচ্ছে না বন বিট কর্মকর্তা চিহ্নিত বনদস্যুকে। যার ফলে ঐ এলাকার একদল চিহ্নিত বনদস্যুরা চুনারুঘাটে রঘুনন্দন রেঞ্জে রাতের আধারে গাছ কাটতে অবৈধ সুযোগ সুবিধা না পেয়ে সৎ, সাহসী ও কঠোর বন বিট কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও নানা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।
এদিকে সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন সন্ধা ৬ টা দিকে শালটিলা বন বিট অধীনেস্থ ফুলছড়া বন ক্যাম্পের ভেতরে মাঝে মধ্যে রাতের বেলায় গাছ কেটে নিয়ে গেলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে একদল চিহ্নিত বনদস্যুরা। বনদস্যুরা দূরে থেকে ফুলছড়া বন ক্যাম্পের ভেতরে দিন মজুরি লোকজনকে দিয়ে নিরবে গাছ কাঠানো হয়। এসব গাছ কাটার পর ৩/৪ গজ দূরে নিয়ে টুকরো করে টেলা বেন গাড়ি দিয়ে বদরগাজী এলাকায় স্তুপ করে রাখা হয়। পরে এসব গাছ গুলো বিক্রি করে দেয় অন্য লোকের কাছে। এ গাছ গুলো ক্রয় করে অন্য লোকজন সকালে বা বিকেলে পিকআপ, টমটম, ডায়না, ট্রাক্টর, ট্রলি দিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ, শানখলা, শাকির মোহাম্মদ সহ বিভিন্ন করাত কলে পাঠিয়ে ছিঁড়ানো হয়ে থাকে । ছিঁড়ানো কাঠ গুলো বিভিন্ন জায়গায় ফার্নিসার কারখানাতে পাঠানো হয়ে থাকে। গত ১৮ জুন ফুলছড়ি ক্যাম্পে ভেতরে নিরবে গাছ কাটা সংবাদ পেয়ে শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা ও অন্যান্য বন বিটের স্টাফদেরকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে কাঁপাই চা বাগানের দূর্গা মুন্ডা ছেলে দিন মজুরি জাফর মিলন মুন্ডা (৩২) কে দিয়ে বেশ কয়েকটি গাছ কর্তন করা সময় হাতে নাতে আটক করে। পরের দিন বন আদালতে সোপর্দ করে জেল হাজতে প্রেরন করে এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় দৈনিক সংবাদ প্রকাশ হয়।
বন আদালতে মামলা হলে এ জিদ ধরে পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী সহ অন্যান্য গ্রামের একদল চিহ্নিত বনদস্যুরা শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা ও অন্যান্য স্টাফদের বিরুদ্ধে তাদের দেওয়া অন্য সংবাদকর্মীকে দিয়ে আজগুবি মিথ্যা অপপ্রচার সংবাদপত্রে এবং তাদেরকে সরানোর জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র, মোবাইলে হুমকি ধামকি সহ বিভিন্ন দপ্তরে নামে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে বলে এলাকার সচেতন লোকজন জানান।