স্টাফ রিপোর্টার:
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরনজি (গোপেরহাট) এলাকায় সরকারি খাল ও চরের মাটি অবৈধভাবে কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির নেতা মাহবুবুল আলম বাবুল খন্দকারের ছোট ভাই এনায়েত খন্দকার এর নেতৃত্বে বেকু (খননযন্ত্র) ব্যবহার করে দিনের পাশাপাশি রাতেও সরকারি খাল ও চরের মাটি কেটে স্থানীয় রুপা ব্রিকসে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালের পাড় থেকে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কেটে ট্রলারে বোঝাই করে ইটভাটার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি খাল ও চরের মাটি প্রকাশ্যে কেটে বিক্রি করা হলেও প্রশাসনের নজরদারির অভাবে অবৈধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। তারা অবিলম্বে মাটি কাটা বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমাকে অবহিত করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে এনায়েত খন্দকার বলেন, “ইটভাটা মালিকের ক্রয় করা জমির মাটি কাটা হচ্ছে।” তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা চিত্র তার বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে প্রতিবেদকের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরনজি (গোপেরহাট) এলাকায় সরকারি খাল ও চরের মাটি অবৈধভাবে কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির নেতা মাহবুবুল আলম বাবুল খন্দকারের ছোট ভাই এনায়েত খন্দকার এর নেতৃত্বে বেকু (খননযন্ত্র) ব্যবহার করে দিনের পাশাপাশি রাতেও সরকারি খাল ও চরের মাটি কেটে স্থানীয় রুপা ব্রিকসে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালের পাড় থেকে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কেটে ট্রলারে বোঝাই করে ইটভাটার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি খাল ও চরের মাটি প্রকাশ্যে কেটে বিক্রি করা হলেও প্রশাসনের নজরদারির অভাবে অবৈধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। তারা অবিলম্বে মাটি কাটা বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমাকে অবহিত করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে এনায়েত খন্দকার বলেন, “ইটভাটা মালিকের ক্রয় করা জমির মাটি কাটা হচ্ছে।” তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা চিত্র তার বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে প্রতিবেদকের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।