ইবি প্রতিনিধি ‘
সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আয়োজনে 'বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইইআর ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নূর সানজিদা স্মৃতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রোখসানা খাতুন ইতি, শহীদ জিয়াউর রহমান হল ডিবেটং সোসাইটির সভাপতি শুয়াইব হোসেন, তারুণ্য সংগঠনের সভাপতি ইমন হোসেন, আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ সাগর, ক্যাপ সংগঠনের সভাপতি জান্নাতুল মাওয়া। এছাড়াও তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ফোরামের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় লেখকদের নানাবিধ সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেষ্ট প্রদান করা হয় এবং সকল বিদায়ী লেখকদের বিদায়ী ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইবি শাখার সভাপতি মোঃ রুহুল আমিন বলেন, আমাদের তরুণ লেখকেরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা জটিল ইস্যু, সমাধান এবং সমাজের নানা অনিয়ম, অসংগতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিয়মিত পত্রিকায় কলাম লিখে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন। তরুণদের এই লেখনী-স্পৃহাকে আরও শাণিত ও উজ্জীবিত করতেই আমাদের এই ‘বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান ২০২৬’-এর আয়োজন।
আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আয়োজন তরুণদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং বস্তুনিষ্ঠ ও সমাজ-সংস্কারমূলক লেখালিখিতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে। সাধারণ সম্পাদক রবিউস সানি জোহা বলেন, আজকের এই আয়োজন তরুণ লেখকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা, মনন ও লেখনীকে আরও বিকশিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাদের সংগঠন সবসময় জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও দায়িত্বশীল লেখক তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সম্মাননাপ্রাপ্ত সকল লেখককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তাদের লেখনী সমাজ ও দেশের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে– এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। সেইসাথে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা- লেখালেখি, সাহিত্যচর্চা, সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে সামনে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে এই আশা রাখি । উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা পরপর ৬ বার বর্ষসেরা শাখা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আয়োজনে 'বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইইআর ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নূর সানজিদা স্মৃতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রোখসানা খাতুন ইতি, শহীদ জিয়াউর রহমান হল ডিবেটং সোসাইটির সভাপতি শুয়াইব হোসেন, তারুণ্য সংগঠনের সভাপতি ইমন হোসেন, আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ সাগর, ক্যাপ সংগঠনের সভাপতি জান্নাতুল মাওয়া। এছাড়াও তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ফোরামের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় লেখকদের নানাবিধ সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেষ্ট প্রদান করা হয় এবং সকল বিদায়ী লেখকদের বিদায়ী ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইবি শাখার সভাপতি মোঃ রুহুল আমিন বলেন, আমাদের তরুণ লেখকেরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা জটিল ইস্যু, সমাধান এবং সমাজের নানা অনিয়ম, অসংগতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিয়মিত পত্রিকায় কলাম লিখে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন। তরুণদের এই লেখনী-স্পৃহাকে আরও শাণিত ও উজ্জীবিত করতেই আমাদের এই ‘বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান ২০২৬’-এর আয়োজন।
আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আয়োজন তরুণদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং বস্তুনিষ্ঠ ও সমাজ-সংস্কারমূলক লেখালিখিতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে। সাধারণ সম্পাদক রবিউস সানি জোহা বলেন, আজকের এই আয়োজন তরুণ লেখকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা, মনন ও লেখনীকে আরও বিকশিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাদের সংগঠন সবসময় জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও দায়িত্বশীল লেখক তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সম্মাননাপ্রাপ্ত সকল লেখককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তাদের লেখনী সমাজ ও দেশের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে– এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। সেইসাথে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা- লেখালেখি, সাহিত্যচর্চা, সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে সামনে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে এই আশা রাখি । উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা পরপর ৬ বার বর্ষসেরা শাখা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।