আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
খাল পুনর্খননের ফলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার শতাধিক কৃষক। এতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সুরির ডারা বিল, ভুতানীর বিল ও কারবালার বিলের শত শত একর পতিত জমি। যে জমিতে আগে কেবল বোরো আবাদ হতো, এখন সেখানে আমন আবাদের আশায় দিন গুনছেন কৃষকরা। কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার উলিপুর পৌরসভার আব্দুল হাকিম মৌজার ডারারপাড় গ্রামের ‘সুরির ডারা বিল’ হয়ে বুড়ি তিস্তায় মিলিত হওয়া প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি এক যুগ ধরে প্রায় মৃত অবস্থায় ছিল। ফলে একটু বৃষ্টিতেই খাল উপচে ভুতানীর বিল, কারবালার বিল ও আশপাশের এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিত এবং আমন চাষ বন্ধ থাকত। সম্প্রতি সরকারের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি)’ আওতায় সাড়ে ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে খালের প্রায় ৩ কিলোমিটার অংশ পুনর্খনন করা হয়। গত ১০ মে কাজ শুরু হয়ে ৩০ জুন তা শেষ হয়। স্থানীয় ১১৯ জন হতদরিদ্র মানুষ এতে কাজের সুযোগ পান। কাজের অংশ হিসেবে খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
দীর্ঘদিন পর জমিতে আমন চাষের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় কৃষকরা। কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার ডারার পাড় গ্রামের কৃষক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (৬৫) বলেন, ‘ভুতানীর বিলে বাপের থেকে পাঁচ বিঘা জমি পাইছি। জীবনেও আবাদ করবার পাই নাই। খালটা খনন করায় এবার জলাবদ্ধতা নাই, আমনের আবাদ করবার পামো। মাছও খাবার পামো। এতদিনে আল্লাহ হামার প্রতি রহমত করছে।’ একইভাবে আনন্দ প্রকাশ করেছেন কৃষক মোঃ বাদশা মিয়া (৮০)। তিনি বলেন, কারবালার বিলে আমার ৪ একর জমি সারা বছর ধরি পানিতে ডুবি থাকত। কোনো রকমে বোরো চাষ করি। এবার আমন চাষ করতে পামো। শুধু তোফাজ্জল ও বাদশা মিয়া নন, খাল খনন করায় মোঃ খয়বর আলী, মোঃ হোসেন আলীসহ শতাধিক কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খন্দকার মোঃ ফিজানুর রহমান জানান, খালটি ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকায় এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা হতো।
এখন পানির ধারণক্ষমতা বাড়ায় সেচ কাজেও খালের পানি ব্যবহার করা যাবে। উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি এম. আরিফ বলেন, ‘দীর্ঘদিন খালটি পলি পড়ে ভরাট হয়েছিল। পুনর্খননের ফলে এখন আর জলাবদ্ধতা হবে না। সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষায় খালের দুই পাড়ে গাছও লাগানো হচ্ছে।
খাল পুনর্খননের ফলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার শতাধিক কৃষক। এতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সুরির ডারা বিল, ভুতানীর বিল ও কারবালার বিলের শত শত একর পতিত জমি। যে জমিতে আগে কেবল বোরো আবাদ হতো, এখন সেখানে আমন আবাদের আশায় দিন গুনছেন কৃষকরা। কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার উলিপুর পৌরসভার আব্দুল হাকিম মৌজার ডারারপাড় গ্রামের ‘সুরির ডারা বিল’ হয়ে বুড়ি তিস্তায় মিলিত হওয়া প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি এক যুগ ধরে প্রায় মৃত অবস্থায় ছিল। ফলে একটু বৃষ্টিতেই খাল উপচে ভুতানীর বিল, কারবালার বিল ও আশপাশের এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিত এবং আমন চাষ বন্ধ থাকত। সম্প্রতি সরকারের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি)’ আওতায় সাড়ে ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে খালের প্রায় ৩ কিলোমিটার অংশ পুনর্খনন করা হয়। গত ১০ মে কাজ শুরু হয়ে ৩০ জুন তা শেষ হয়। স্থানীয় ১১৯ জন হতদরিদ্র মানুষ এতে কাজের সুযোগ পান। কাজের অংশ হিসেবে খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
দীর্ঘদিন পর জমিতে আমন চাষের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় কৃষকরা। কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার ডারার পাড় গ্রামের কৃষক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (৬৫) বলেন, ‘ভুতানীর বিলে বাপের থেকে পাঁচ বিঘা জমি পাইছি। জীবনেও আবাদ করবার পাই নাই। খালটা খনন করায় এবার জলাবদ্ধতা নাই, আমনের আবাদ করবার পামো। মাছও খাবার পামো। এতদিনে আল্লাহ হামার প্রতি রহমত করছে।’ একইভাবে আনন্দ প্রকাশ করেছেন কৃষক মোঃ বাদশা মিয়া (৮০)। তিনি বলেন, কারবালার বিলে আমার ৪ একর জমি সারা বছর ধরি পানিতে ডুবি থাকত। কোনো রকমে বোরো চাষ করি। এবার আমন চাষ করতে পামো। শুধু তোফাজ্জল ও বাদশা মিয়া নন, খাল খনন করায় মোঃ খয়বর আলী, মোঃ হোসেন আলীসহ শতাধিক কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খন্দকার মোঃ ফিজানুর রহমান জানান, খালটি ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকায় এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা হতো।
এখন পানির ধারণক্ষমতা বাড়ায় সেচ কাজেও খালের পানি ব্যবহার করা যাবে। উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি এম. আরিফ বলেন, ‘দীর্ঘদিন খালটি পলি পড়ে ভরাট হয়েছিল। পুনর্খননের ফলে এখন আর জলাবদ্ধতা হবে না। সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষায় খালের দুই পাড়ে গাছও লাগানো হচ্ছে।