মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর এলাকার গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত পান্না বিশ্বাস। আসন্ন রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। পান্না বিশ্বাস রাণীশংকৈল উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত আলহাজ্ব মঈনউদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে। রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁরও রয়েছে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা।
তিনি রাণীশংকৈল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পান্না বিশ্বাস বিভিন্ন সময়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগিতা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং বিপদে মানুষের পাশে থাকার কারণে পৌর এলাকার একটি অংশের মানুষের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে সমর্থকদের দাবি। এর আগে ২০২১ সালের রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন পান্না বিশ্বাস।
ওই সময় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে নির্বাচন করেন। এবারও পৌরবাসীর প্রত্যাশা ও সমর্থনকে সামনে রেখে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন। নির্বাচনে প্রার্থী হলে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার এবং পৌরসভার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলছেন তাঁর সমর্থকরা। পৌরবাসীর ভাষ্য, আসন্ন নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি তাঁর জনসম্পৃক্ততা, সততা, যোগ্যতা ও এলাকার মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তবে শেষ পর্যন্ত রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে কারা মেয়র পদে প্রার্থী হচ্ছেন এবং ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন—তা নির্ধারণ হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল, প্রার্থীতা এবং ভোটের মাধ্যমে।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর এলাকার গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত পান্না বিশ্বাস। আসন্ন রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। পান্না বিশ্বাস রাণীশংকৈল উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত আলহাজ্ব মঈনউদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে। রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁরও রয়েছে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা।
তিনি রাণীশংকৈল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পান্না বিশ্বাস বিভিন্ন সময়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগিতা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং বিপদে মানুষের পাশে থাকার কারণে পৌর এলাকার একটি অংশের মানুষের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে সমর্থকদের দাবি। এর আগে ২০২১ সালের রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন পান্না বিশ্বাস।
ওই সময় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে নির্বাচন করেন। এবারও পৌরবাসীর প্রত্যাশা ও সমর্থনকে সামনে রেখে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন। নির্বাচনে প্রার্থী হলে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার এবং পৌরসভার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলছেন তাঁর সমর্থকরা। পৌরবাসীর ভাষ্য, আসন্ন নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি তাঁর জনসম্পৃক্ততা, সততা, যোগ্যতা ও এলাকার মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তবে শেষ পর্যন্ত রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে কারা মেয়র পদে প্রার্থী হচ্ছেন এবং ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন—তা নির্ধারণ হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল, প্রার্থীতা এবং ভোটের মাধ্যমে।