দুর্নীতির অভিযোগ বিআইডব্লিউটিএর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সালের বিরুদ্ধে

আপলোড সময় : ২৭-০৭-২০২৬ ০৪:৪৬:৫২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৭-০৭-২০২৬ ০৪:৪৬:৫২ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিআইডব্লিউটি এর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সাল। পড়ালেখা করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)। ছাত্রজীবনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। এই সুবাদে চাকরীজীবনে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১০ সালে চাকরীতে যোগদান করেন। এরপর উদ্ধার ইউনিট প্রত্যয়, নিভীক, দূরন্ত ও দূর্বার জাহাজের ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যোগদানের পর বিদেশ ভ্রমণ এবং উদ্ধার ইউনিট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কোরিয়ান কোম্পানির কাছ থেকে বিদেশে বসে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করেছেন। উদ্ধার ইউনিটে যে সমস্ত মূল্যবান মালামাল/যন্ত্রপাতি কোরিয়ান কোম্পানিকে দেওয়ার কথা ছিল তা না দিয়ে উল্টো মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিম্নমানের মালামাল ও অনেক কম আইটেমের মালামাল গ্রহণ করেন। এমনকি খানপুর স্টোরে সঠিক ভাবে মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। স্টোরে ও মালামালের লিস্ট করতেও পারে নাই। এ যেন শুভকরের ফাঁকি।

তিনি প্রকৌশলী হওয়ায়, এমএমই বিভাগ বরিশাল নৌ বহরে চাকরির করেন। নৌবহর বরিশালের আওতায় জলযানের রিপেয়ার নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরে নৌ মেরামত কেন্দ্রের নারায়নগঞ্জের চেয়ারে বসেন তিনি। প্রতিটি জাহাজের রিপেয়ার নামে ওভার ইষ্টিমেট করে কোটি টাকার তছরুপ করা হয়।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মামুন আল ফয়সাল তার আমলে জাহাজের নামে লাখ লাখ টাকার আর্থিক আনুমোদন নিলেও কাজের কাজ কিছুই করেন নি।

বিভিন্ন জাহাজের ষ্টাফ মাষ্টার ও ড্রাইভারের কাছ থেকে জানা যায়, জাহাজের ভাল-ভাল মালামাল বাদ দিয়ে ওই মালামালের ইষ্টিমেট করে নিদিষ্ট লোক দ্বারা চায়না মালামাল ফিটিং করেন। যা বেশিদিন টিকসই হয়না। আবার সমস্যা দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় আবারও স্টিমিট করে এভাবে জাহাজের নামে দুর্নীতি করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ঠিকাদার দ্বারা বড়বড় কাজ দিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে নগদ অর্থ বা চেকের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করেন বলে জানা গেছে। এবিষয়ে সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করেছে সংশ্লিষ্ঠ কর্তা ব্যক্তিরা। তাদের দাবি সুষ্ঠু তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটি এর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সাল বলেন, আমি প্রজেন্টের পিডির অধীনে ছিলাম। পিডির নির্দেশে সব কেনাকাটা হয়েছে। আমি আমার কাজ টুকু করেছি।

 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]