লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
হবিগঞ্জ শহরে লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে কাঁচামরিচের দাম। কয়েকদিন আগেই ২০০ টাকা ছাড়ানো কাঁচামরিচের দাম এখন কেজিপ্রতি ৩০০ টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। আকস্মিক এ মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। রোববার (২৬ জুলাই) শহরের বড় বাজার, চৌধুরী বাজার, সিনেমাহল বাজার ও শায়েস্তানগর বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুধু কাঁচামরিচ নয়, অন্যান্য সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। বাজারে ঢেঁড়স ও চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙা ও কচুমুখি ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, বেগুন ১০০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ছোট আকারের একটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। মিষ্টি কুমড়ার দামও বেড়ে প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পৌঁছেছে। অন্যদিকে আলু বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৩০ টাকা কেজি দরে। ক্রেতাদের অভিযোগ, কয়েক দিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সংসারের ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা জানান, অতিবৃষ্টি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাম্প্রতিক বন্যার কারণে কাঁচামরিচ ও বিভিন্ন সবজির উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।
এছাড়া চাহিদার তুলনায় বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। সিনেমাহল বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী সুভাষ দাশ বলেন, "প্রতিটি পণ্যই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। কাঁচামরিচ পাইকারিতেই ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। সবজিও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই ইচ্ছা থাকলেও কম দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়।" আরেক ব্যবসায়ী সফর আলী বলেন, "গত সপ্তাহেও কাঁচামরিচ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। এখন পাইকারিতেই ২৮০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। তাই লোকসান এড়াতে ৩০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। শুধু কাঁচামরিচ নয়, প্রায় সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে।
" এদিকে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ভোগান্তি বেড়েছে। ক্রেতারা বলছেন, বাজারে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দাম আদায়ের সুযোগ পাবে না।
হবিগঞ্জ শহরে লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে কাঁচামরিচের দাম। কয়েকদিন আগেই ২০০ টাকা ছাড়ানো কাঁচামরিচের দাম এখন কেজিপ্রতি ৩০০ টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। আকস্মিক এ মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। রোববার (২৬ জুলাই) শহরের বড় বাজার, চৌধুরী বাজার, সিনেমাহল বাজার ও শায়েস্তানগর বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুধু কাঁচামরিচ নয়, অন্যান্য সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। বাজারে ঢেঁড়স ও চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙা ও কচুমুখি ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, বেগুন ১০০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ছোট আকারের একটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। মিষ্টি কুমড়ার দামও বেড়ে প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পৌঁছেছে। অন্যদিকে আলু বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৩০ টাকা কেজি দরে। ক্রেতাদের অভিযোগ, কয়েক দিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সংসারের ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা জানান, অতিবৃষ্টি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাম্প্রতিক বন্যার কারণে কাঁচামরিচ ও বিভিন্ন সবজির উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।
এছাড়া চাহিদার তুলনায় বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। সিনেমাহল বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী সুভাষ দাশ বলেন, "প্রতিটি পণ্যই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। কাঁচামরিচ পাইকারিতেই ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। সবজিও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই ইচ্ছা থাকলেও কম দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়।" আরেক ব্যবসায়ী সফর আলী বলেন, "গত সপ্তাহেও কাঁচামরিচ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। এখন পাইকারিতেই ২৮০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। তাই লোকসান এড়াতে ৩০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। শুধু কাঁচামরিচ নয়, প্রায় সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে।
" এদিকে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ভোগান্তি বেড়েছে। ক্রেতারা বলছেন, বাজারে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দাম আদায়ের সুযোগ পাবে না।