নিজস্ব প্রতিবেদক
স্থানীয় নির্বাচনেও কারচুপির চেষ্টা হলে জনগণ প্রতিহত করবে : সেলিম উদ্দিন জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কারচুপির চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ঢাকায় আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে হবে। তা না হলে বুঝতে হবে সরকার জনগণের রায়ের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে।
রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মূসা, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা.ফখরুদ্দিন মানিক, ইয়াসিন আরাফাত, কর্মপরিষদ সদস্য হেমায়েত হোসেন ও জামাল হোসেন প্রমুখ। সেলিম উদ্দিন বলেন, দেশে মানুষের আস্থা কমে গেছে এবং সত্য কথা বলার স্বাধীনতাও সংকুচিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ আর কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রত্যাশিত উন্নতি নেই। এখনও কাঙ্ক্ষিত সমাজব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নেও দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। ক্ষমতাসীনদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি অতীতে সংবিধান পরিবর্তনের কথা বললেও এখন সেই সংবিধানকেই আঁকড়ে ধরেছে। তাঁর ভাষায়, জনগণের রায়ই চূড়ান্ত সংবিধান, এর ঊর্ধ্বে কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক সুবিধা বিএনপি পেলেও ক্ষমতায় এসে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আন্তরিকতা দেখাচ্ছে না।
এর রাজনৈতিক মূল্য দলটিকে দিতে হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজধানীর নাগরিক সেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সেলিম উদ্দিন বলেন, ঢাকা শহর চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির নগরীতে পরিণত হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর কোনো পরিকল্পনা নেই, ফলে শহরটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে, যা নগর ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার প্রমাণ। তিনি বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে এবং বিরোধী দলের সব বক্তব্যকে নেতিবাচকভাবে না দেখে ইতিবাচক দৃষ্টিতে বিবেচনা করা উচিত। তাঁর মতে, জুলাইয়ের চেতনায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও বিদ্যমান।
জলাবদ্ধতা ও ময়লা সমস্যার সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে মাঠে নেমে আন্দোলনের ঘোষণা দেন সেলিম উদ্দিন। পাশাপাশি নাগরিক সেবা উন্নত করা এবং দালালচক্র নির্মূলেরও দাবি জানান তিনি। বার্তা প্রেরক- মো.আতাউর রহমান সরকার কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক ঢাকা মহানগরী উত্তর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
স্থানীয় নির্বাচনেও কারচুপির চেষ্টা হলে জনগণ প্রতিহত করবে : সেলিম উদ্দিন জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কারচুপির চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ঢাকায় আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে হবে। তা না হলে বুঝতে হবে সরকার জনগণের রায়ের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে।
রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মূসা, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা.ফখরুদ্দিন মানিক, ইয়াসিন আরাফাত, কর্মপরিষদ সদস্য হেমায়েত হোসেন ও জামাল হোসেন প্রমুখ। সেলিম উদ্দিন বলেন, দেশে মানুষের আস্থা কমে গেছে এবং সত্য কথা বলার স্বাধীনতাও সংকুচিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ আর কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রত্যাশিত উন্নতি নেই। এখনও কাঙ্ক্ষিত সমাজব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নেও দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। ক্ষমতাসীনদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি অতীতে সংবিধান পরিবর্তনের কথা বললেও এখন সেই সংবিধানকেই আঁকড়ে ধরেছে। তাঁর ভাষায়, জনগণের রায়ই চূড়ান্ত সংবিধান, এর ঊর্ধ্বে কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক সুবিধা বিএনপি পেলেও ক্ষমতায় এসে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আন্তরিকতা দেখাচ্ছে না।
এর রাজনৈতিক মূল্য দলটিকে দিতে হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজধানীর নাগরিক সেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সেলিম উদ্দিন বলেন, ঢাকা শহর চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির নগরীতে পরিণত হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর কোনো পরিকল্পনা নেই, ফলে শহরটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে, যা নগর ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার প্রমাণ। তিনি বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে এবং বিরোধী দলের সব বক্তব্যকে নেতিবাচকভাবে না দেখে ইতিবাচক দৃষ্টিতে বিবেচনা করা উচিত। তাঁর মতে, জুলাইয়ের চেতনায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও বিদ্যমান।
জলাবদ্ধতা ও ময়লা সমস্যার সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে মাঠে নেমে আন্দোলনের ঘোষণা দেন সেলিম উদ্দিন। পাশাপাশি নাগরিক সেবা উন্নত করা এবং দালালচক্র নির্মূলেরও দাবি জানান তিনি। বার্তা প্রেরক- মো.আতাউর রহমান সরকার কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক ঢাকা মহানগরী উত্তর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী