মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) রাজুর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত গাড়ি আত্মসাৎ এবং সেটি ফেরত দেওয়ার শর্তে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, একটি পরিকল্পিত কৌশলের মাধ্যমে তার গাড়ি হাতিয়ে নেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন, মানসিক হয়রানি এবং নানা ধরনের চাপের মুখে রাখা হয়। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজশাহী নগরীর বিভাগীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী বলেন, ব্যবসায়িক সূত্রে পরিচিত এক নারীকে ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয়।
সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কৌশলে তার মালিকানাধীন ব্যক্তিগত গাড়িটি আত্মসাৎ করা হয়। পরে গাড়িটি ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে অভিযুক্ত এসআই তার কাছে নগদ ৫ লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, গাড়ি ফেরত চাইলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিকার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যমের সামনে এসে বিষয়টি তুলে ধরতে বাধ্য হয়েছেন বলেও জানান তিনি। ভুক্তভোগীর দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।
তাই নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই রাজু বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি অভিযোগগুলো দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরও বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।# --
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) রাজুর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত গাড়ি আত্মসাৎ এবং সেটি ফেরত দেওয়ার শর্তে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, একটি পরিকল্পিত কৌশলের মাধ্যমে তার গাড়ি হাতিয়ে নেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন, মানসিক হয়রানি এবং নানা ধরনের চাপের মুখে রাখা হয়। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজশাহী নগরীর বিভাগীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী বলেন, ব্যবসায়িক সূত্রে পরিচিত এক নারীকে ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয়।
সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কৌশলে তার মালিকানাধীন ব্যক্তিগত গাড়িটি আত্মসাৎ করা হয়। পরে গাড়িটি ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে অভিযুক্ত এসআই তার কাছে নগদ ৫ লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, গাড়ি ফেরত চাইলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিকার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যমের সামনে এসে বিষয়টি তুলে ধরতে বাধ্য হয়েছেন বলেও জানান তিনি। ভুক্তভোগীর দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।
তাই নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই রাজু বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি অভিযোগগুলো দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরও বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।# --