এম মনির চৌধুরী রানা
বোয়ালখালী ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তারানুমা এলাহীকে বদলি করা হয়েছে। ২৩জুলাই বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অফিস আদেশ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ (নতুন) ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হবেন। জনস্বার্থে এ বদলির আদেশ জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে তারানুমা এলাহীর বিরুদ্ধে সারোয়াতলী ইউনিয়নের কঞ্জুরি নুরবক্স বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মোছাম্মদ নূর বেগম একটি অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, পৈতৃক সম্পত্তি সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে তার অনুকূলে মতামত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তারানুমা এলাহী ৮০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। অভিযোগের সমর্থনে অডিও রেকর্ড, দলিল, ইউনিয়ন পরিষদের রায়, তদন্ত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন নথি ও উপস্থাপন করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তারানুমা এলাহী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।
অন্যদিকে, বোয়ালখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতিমা জানিয়েছিলেন, অভিযোগ ও অডিও রেকর্ড পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ বদলির আদেশে তারানুমা এলাহীর বদলির কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
আদেশে কেবল “জনস্বার্থে” বদলির কথা বলা হয়েছে। এ বদলির সঙ্গে পূর্বে উত্থাপিত অভিযোগের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
বোয়ালখালী ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তারানুমা এলাহীকে বদলি করা হয়েছে। ২৩জুলাই বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অফিস আদেশ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ (নতুন) ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হবেন। জনস্বার্থে এ বদলির আদেশ জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে তারানুমা এলাহীর বিরুদ্ধে সারোয়াতলী ইউনিয়নের কঞ্জুরি নুরবক্স বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মোছাম্মদ নূর বেগম একটি অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, পৈতৃক সম্পত্তি সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে তার অনুকূলে মতামত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তারানুমা এলাহী ৮০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। অভিযোগের সমর্থনে অডিও রেকর্ড, দলিল, ইউনিয়ন পরিষদের রায়, তদন্ত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন নথি ও উপস্থাপন করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তারানুমা এলাহী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।
অন্যদিকে, বোয়ালখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতিমা জানিয়েছিলেন, অভিযোগ ও অডিও রেকর্ড পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ বদলির আদেশে তারানুমা এলাহীর বদলির কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
আদেশে কেবল “জনস্বার্থে” বদলির কথা বলা হয়েছে। এ বদলির সঙ্গে পূর্বে উত্থাপিত অভিযোগের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।