বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
রংপুরে বদরগঞ্জে মধুপুর ইউনিয়ন রাজরামপুর নাওপাড়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নুর ইসলাম নামে এক ব্যাক্তিকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।পাল্টা অভিযোগ করেন আলেমা বেগম। বর্তমানে আহত নুর ইসলাম ও মমিন মিয়া উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।দু'দফায় এ ঘটনা ঘটেছে গত ১৯ জুলাই রাজরামপুর কালজানি গ্রামে ও ২১ জুলাই বুধবার মধুপুর পাকারমাথা এলাকায়।
ভুক্তভোগী নুর ইসলাম ও তার স্বজনদের বরাতে জানা যায়, কালজানি গ্রামের ওমর ফারুক সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল একই গ্রামের মমিন মিয়ার সঙ্গে। সেই জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সাক্ষীতে নাম ছিল নুর ইসলামের। এতে ক্ষিপ্ত হয় মমিন মিয়া ও তার স্ত্রী আলেমা খাতুন তার ছেলেরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের কথা কাটাকাটি হয়।পরে বিষয়টি নিশে দুপক্ষের সংঘর্ষে বাধে।এতে উভয় পক্ষে তিন জন আহত হয়। এর মধ্যে মমিন ও নুর ইসলাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার সরজমিনে ঘটনাস্হলে যেয়ে জানা যায়, ওমর ফারুক স্ত্রী ব'লেন,নুর ইসলাম কোন দোষ নেই। তার দোষ আমাদের একটি জমির বিষয়ে সাক্ষীতে নুর ইসলাম নাম ছিল।এতেই ক্ষিপ্ত হয় মমিন মিয়া ও তার স্ত্রী ছেলেরা। সেই ঘটনাতে ভিডিও করছিল নুর ইসলাম । ভিডিওগুলো নিয়ে নুর ইসলাম বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার ছড়ানোর অভিযোগ করেন আলেমা খাতুন।পরে ভিডিও ডিলিট করার জন্য বললে নুর ইসলাম উত্তেজিত হয়। পরে ,আলেমা বেগম তার স্বামী মমিন মিয়া ছেলে মোয়াজ্জেম লোকজন নিয়ে পাকারমাথা এলাকায় নুর ইসলাম উপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্হানীয় লোকজন এগিয়ে এসে উভয় পক্ষকে থামিয়ে দেয়। ঐ সময়ে হামলায় নুর ইসলাম আহত হলে তার স্নজনরা এসে হাসপাতালে দ্রুত নিয়ে যান।
অভিযোগ অস্বীকার করে আলেমা বেগম বলেন,তারা এসে আমার পড়নের কাপড় টানা হ্যাচড়া করে।একপর্যায়ে আমার স্বামীকে মারধর করে। আমার স্বামী এখন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালজানি গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এখানে নুর ইসলাম তাদের উপর হামলা ও কাপড় ধরে টানা হ্যাচড়া ঘটনা আমরা কেউ দেখেনি।তবে নুর ইসলাম উপর হামলা করতে দেখেছি।
সামসুল নামে এক বিএনপি সমর্থক বলেন,নুর ইসলাম উপর হামলার সময় আমি ঘটনাস্থলে না ধরা ধরি করলে সেখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেত।
স্হানীয় ইউপি সদস্য শাহিনুর ইসলাম বলেন, উভয় পক্ষকে নিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
বদরগঞ্জ থানার এসআই পলাশ চন্দ্র রায় বলেন, আমি ঘটনাস্থলে যেয়ে দু'পক্ষকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।এ ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।