ইবি প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) যৌন হয়রানি প্রতিরোধ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর ১২ টায় ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামি শিক্ষা অনুষদের ৪২৭ নং কক্ষে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ডীন অধ্যাপক ড. রোকসানা বেগম মিলির সভাপতিত্বে বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে আল ফিকহ অ্যাণ্ড ল' বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু বকর মো. জাকারিয়া মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, এ কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ'সহ সমাজকল্যাণ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এ কমিটির সদস্য সচিব ডেপুটি রেজিস্ট্রার ইব্রাহিম বরাতে জানা যায়, ইউজিসি কতৃক যৌন হয়রানি প্রতিরোধ শীর্ষক প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে সেই আলোকে আমাদের এই প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকবে।
এর পাশাপাশি, বিভিন্ন আবাসিক হলে এই কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। এর পূর্বে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ বিষয়ক বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। সভায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, এই ধরণের প্রোগ্রাম আমরা প্রথম পেয়েছি। সভায় শিক্ষকরা যৌন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনমূলক পরামর্শ ও উপদেশ দিয়েছেন যা আমাদের শিক্ষাজীবন ও জনজীবনে সঠিক পথ অবলম্বনে সহযোগিতা করবে। বিশেষজ্ঞ আলোচক অধ্যাপক ড. আবু বকর মো. জাকারিয়া মজুমদার বলেন, ইসলামে বৈধ দাম্পত্য সম্পর্কের বাইরে সব ধরনের যৌনাচার নিষিদ্ধ। তাই এ ধরনের গুনাহ থেকে নিজেকে রক্ষা করার অন্যতম কার্যকর উপায় হলো সময়মতো বিয়ে করা। সামর্থ্য অর্জনের পর অযথা বিয়ে বিলম্বিত করবেন না। বিয়ের মাধ্যমে মানুষ তার স্বাভাবিক ও বৈধ জীবন শুরু করে এবং প্রবৃত্তিকে সঠিক পথে পরিচালিত করার সুযোগ পায়। পাশাপাশি আমি সবাইকে নির্জনতা পরিহার করার আহ্বান জানাই।
অপ্রয়োজনীয়ভাবে কারও সঙ্গে একান্তে অবস্থান করবেন না; প্রয়োজনে সবার সামনে বা দলগতভাবে কথা বলুন। এমন পরিবেশ থেকে দূরে থাকুন, যেখানে শয়তান আপনাকে কুমন্ত্রণা দিতে পারে। তিনি আরও বলেন, সর্বদা সৎ, চরিত্রবান ও দ্বীনদার মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করুন এবং যাদের সংস্পর্শ আপনার চরিত্র, ঈমান বা নৈতিকতার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ডীন অধ্যাপক ড. রোকসানা বেগম মিলি বলেন, আমরা সাধারণত কোনো ঘটনা ঘটার পর আইন ও শাস্তির কথা বলি। কিন্তু আমার কথা হলো, সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আগেই সচেতন হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা অশ্লীলতার কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন। তাই ধর্মীয় নির্দেশনা মেনে চলা এবং নিজের জীবনকে সে অনুযায়ী গড়ে তোলাই যৌন হয়রানি ও অনৈতিকতা থেকে বাঁচার সর্বোত্তম উপায়।
আমি তোমাদের অনুরোধ করব, নিজেদের পোশাক-পরিচ্ছদ, চলাফেরা, কথাবার্তা ও আচরণে শালীনতা বজায় রাখবে এবং এমন কোনো কাজ করবে না, যা অশ্লীলতা বা অনৈতিকতার দিকে আহ্বান জানায়। নিজের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব নিজেকেও নিতে হবে। সচেতনতা, নৈতিকতা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমেই আমরা একটি নিরাপদ, সুন্দর ও সম্মানজনক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে পারি।
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) যৌন হয়রানি প্রতিরোধ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর ১২ টায় ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামি শিক্ষা অনুষদের ৪২৭ নং কক্ষে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ডীন অধ্যাপক ড. রোকসানা বেগম মিলির সভাপতিত্বে বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে আল ফিকহ অ্যাণ্ড ল' বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু বকর মো. জাকারিয়া মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, এ কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ'সহ সমাজকল্যাণ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এ কমিটির সদস্য সচিব ডেপুটি রেজিস্ট্রার ইব্রাহিম বরাতে জানা যায়, ইউজিসি কতৃক যৌন হয়রানি প্রতিরোধ শীর্ষক প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে সেই আলোকে আমাদের এই প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকবে।
এর পাশাপাশি, বিভিন্ন আবাসিক হলে এই কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। এর পূর্বে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ বিষয়ক বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। সভায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, এই ধরণের প্রোগ্রাম আমরা প্রথম পেয়েছি। সভায় শিক্ষকরা যৌন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনমূলক পরামর্শ ও উপদেশ দিয়েছেন যা আমাদের শিক্ষাজীবন ও জনজীবনে সঠিক পথ অবলম্বনে সহযোগিতা করবে। বিশেষজ্ঞ আলোচক অধ্যাপক ড. আবু বকর মো. জাকারিয়া মজুমদার বলেন, ইসলামে বৈধ দাম্পত্য সম্পর্কের বাইরে সব ধরনের যৌনাচার নিষিদ্ধ। তাই এ ধরনের গুনাহ থেকে নিজেকে রক্ষা করার অন্যতম কার্যকর উপায় হলো সময়মতো বিয়ে করা। সামর্থ্য অর্জনের পর অযথা বিয়ে বিলম্বিত করবেন না। বিয়ের মাধ্যমে মানুষ তার স্বাভাবিক ও বৈধ জীবন শুরু করে এবং প্রবৃত্তিকে সঠিক পথে পরিচালিত করার সুযোগ পায়। পাশাপাশি আমি সবাইকে নির্জনতা পরিহার করার আহ্বান জানাই।
অপ্রয়োজনীয়ভাবে কারও সঙ্গে একান্তে অবস্থান করবেন না; প্রয়োজনে সবার সামনে বা দলগতভাবে কথা বলুন। এমন পরিবেশ থেকে দূরে থাকুন, যেখানে শয়তান আপনাকে কুমন্ত্রণা দিতে পারে। তিনি আরও বলেন, সর্বদা সৎ, চরিত্রবান ও দ্বীনদার মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করুন এবং যাদের সংস্পর্শ আপনার চরিত্র, ঈমান বা নৈতিকতার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ডীন অধ্যাপক ড. রোকসানা বেগম মিলি বলেন, আমরা সাধারণত কোনো ঘটনা ঘটার পর আইন ও শাস্তির কথা বলি। কিন্তু আমার কথা হলো, সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আগেই সচেতন হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা অশ্লীলতার কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন। তাই ধর্মীয় নির্দেশনা মেনে চলা এবং নিজের জীবনকে সে অনুযায়ী গড়ে তোলাই যৌন হয়রানি ও অনৈতিকতা থেকে বাঁচার সর্বোত্তম উপায়।
আমি তোমাদের অনুরোধ করব, নিজেদের পোশাক-পরিচ্ছদ, চলাফেরা, কথাবার্তা ও আচরণে শালীনতা বজায় রাখবে এবং এমন কোনো কাজ করবে না, যা অশ্লীলতা বা অনৈতিকতার দিকে আহ্বান জানায়। নিজের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব নিজেকেও নিতে হবে। সচেতনতা, নৈতিকতা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমেই আমরা একটি নিরাপদ, সুন্দর ও সম্মানজনক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে পারি।