মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর জনপ্রিয় আম হাঁড়িভাঙা| এ আমের চাষ ও জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে| এ আম বদলে দিয়েছে আশপাশের মানুষের ভাগ্য| ফুলবাড়ীতে ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে হাঁড়িভাঙা আম| এবার হাঁড়িভাঙার ফলন ভালো| উপজেলা কৃষি বিভাগ ১৫ জুন থেকে পরিপক্ব হাঁড়িভাঙা আম বাজারজাত শুরু করেছেন আমবাগানের মালিক ও ব্যবসায়ীরা| আমচাষিরা গাছ থেকে আম সংগ্রহ করে বিভিন্ন আড়তসহ হাটবাজারে বিক্রি করছেন| গত শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে উপজেলার শিবনগর যাওয়ার পথে চোখে পড়ে রাস্তার দুই ধারে সারি সারি হাঁড়িভাঙা আমের বাগান| গাছে থোকায় থোকায় আম আম পাড়া শুরু করেছেন গত দশদিন আগ থেকে|
তারা বলেছেন, অতিরিক্ত গরমে এ বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই আম পাকা শুরু হয়েছে| কৃষি বিভাগ ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাঁড়িভাঙা আম জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত পাওয়া যায়| পাকা আম মাঝারি মাত্রার সুগন্ধ ছড়ায়| বর্তমানে ফুলবাড়ী উপজেলা ছাড়াও জেলার বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, পার্বতীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁড়িভাঙা আম চাষের বিস্তার ঘটছে| শিবনগর গ্রামের কৃষক মেহেদী হাসান বলেন, আগে তিনি দুই একর জমিতে ধান ও আলুর চাষ করতেন| আট বছর আগে সেই জমিতে হাঁড়িভাঙা আমের বাগান করেছেন|
জমির ফসল বিক্রি করে আগে বছরে তার লাভ হতো ৯৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকা| গত বছর তিনি বাগানের আম বিক্রি করে পেয়েছিলেন সাড়ে তিন লাখ টাকা| এবার তিনি আরও বেশি লাভের আশা করছেন| এক একর জমিতে আমের বাগান করেছেন বুজরুক সমশেরনগর গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন| গত তিন বছরে আম বিক্রি করে গড়ে তিনি আয় করেন দেড় লাখ টাকার বেশি| তিনি বলেন, ধান চাষ আর আম চাষে লাভের পার্থক্য হচ্ছে আকাশ-পাতাল| উপজেলার আলাদিপুর ইউনিয়নের রাঙামাটি এলাকার রহমত আলী বলেন, গত চার বছর আগে তিন একর জমিতে হাঁড়িভাঙ্গা আমের বাগান করেন| গত বছর থেকে বানিজ্যিকভাবে আম বিক্রি করতে পারছেন| ফলন ও দাম দুই-ই ভালো পাচ্ছেন| গত বছর তিনি দেড় লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন| এ বছর ফলন ও দাম দুই-ই ভালো হওয়ায় এবার লাভের পরিমাণ বাড়বে বলে আশা করছেন| উপজেলার বেজাই মোড়, বারাইহাট, ফুলবাড়ীসহ পার্শ্ববর্তী কালীহাটে সবচেয়ে বড় আমের বাজার| ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা আম কিনতে এইসব বাজারে আসেন| মৌসুমের শুরুতে প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ২৫ ট্রাক আম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যান বেপারীরা| স্থানীয় আম ব্যবসায়ী জিয়াউল ইসলাম ও বাবু মিয়া বলেন, দিন যাচ্ছে, বাজারে হাঁড়িভাঙা আমের চাহিদাও বাড়ছে| আম ঘিরে ছোট-বড় অনেক ব্যবসার প্রসার ঘটেছে| কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে হাজারো মানুষের|
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষি সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন বলেন, উপজেলা প্রতিবছর হাঁড়িভাঙা আমের চাষ বাড়ছে| লাভ বেশি হওয়ায় লোকজন ধানি জমিতে আমের বাগান করছেন| ৪৬০ হেক্টর জমিতে ৩ লাখ ৫৪ হাজার হাঁড়িভাঙাসহ বিভিন্ন প্রজাতির আমের গাছ আছে| গত বছর ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার আম বিক্রি হয়েছে| এ বছর ১৪ থেকে ১৫ কোটি টাকার বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা আছে| সব মাটিতে এ আমের চাষ করা যায়| তবে এঁটেল ও দো-আঁশ মাটি এই আম চাষের জন্য বেশি উপযোগী| এক একর জমিতে বছরে সব মিলিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকা পাওয়া যায়| মাঝারি প্রতিটি গাছে সার ও কীটনাশক বাবদ বছরে খরচ হয় ৫০০-৬০০ টাকা| পাঁচ বছর বয়সী প্রতিটি গাছের আম বিক্রি করে গড়ে চার হাজার টাকা পাওয়া যায়|
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর জনপ্রিয় আম হাঁড়িভাঙা| এ আমের চাষ ও জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে| এ আম বদলে দিয়েছে আশপাশের মানুষের ভাগ্য| ফুলবাড়ীতে ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে হাঁড়িভাঙা আম| এবার হাঁড়িভাঙার ফলন ভালো| উপজেলা কৃষি বিভাগ ১৫ জুন থেকে পরিপক্ব হাঁড়িভাঙা আম বাজারজাত শুরু করেছেন আমবাগানের মালিক ও ব্যবসায়ীরা| আমচাষিরা গাছ থেকে আম সংগ্রহ করে বিভিন্ন আড়তসহ হাটবাজারে বিক্রি করছেন| গত শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে উপজেলার শিবনগর যাওয়ার পথে চোখে পড়ে রাস্তার দুই ধারে সারি সারি হাঁড়িভাঙা আমের বাগান| গাছে থোকায় থোকায় আম আম পাড়া শুরু করেছেন গত দশদিন আগ থেকে|
তারা বলেছেন, অতিরিক্ত গরমে এ বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই আম পাকা শুরু হয়েছে| কৃষি বিভাগ ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাঁড়িভাঙা আম জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত পাওয়া যায়| পাকা আম মাঝারি মাত্রার সুগন্ধ ছড়ায়| বর্তমানে ফুলবাড়ী উপজেলা ছাড়াও জেলার বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, পার্বতীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁড়িভাঙা আম চাষের বিস্তার ঘটছে| শিবনগর গ্রামের কৃষক মেহেদী হাসান বলেন, আগে তিনি দুই একর জমিতে ধান ও আলুর চাষ করতেন| আট বছর আগে সেই জমিতে হাঁড়িভাঙা আমের বাগান করেছেন|
জমির ফসল বিক্রি করে আগে বছরে তার লাভ হতো ৯৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকা| গত বছর তিনি বাগানের আম বিক্রি করে পেয়েছিলেন সাড়ে তিন লাখ টাকা| এবার তিনি আরও বেশি লাভের আশা করছেন| এক একর জমিতে আমের বাগান করেছেন বুজরুক সমশেরনগর গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন| গত তিন বছরে আম বিক্রি করে গড়ে তিনি আয় করেন দেড় লাখ টাকার বেশি| তিনি বলেন, ধান চাষ আর আম চাষে লাভের পার্থক্য হচ্ছে আকাশ-পাতাল| উপজেলার আলাদিপুর ইউনিয়নের রাঙামাটি এলাকার রহমত আলী বলেন, গত চার বছর আগে তিন একর জমিতে হাঁড়িভাঙ্গা আমের বাগান করেন| গত বছর থেকে বানিজ্যিকভাবে আম বিক্রি করতে পারছেন| ফলন ও দাম দুই-ই ভালো পাচ্ছেন| গত বছর তিনি দেড় লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন| এ বছর ফলন ও দাম দুই-ই ভালো হওয়ায় এবার লাভের পরিমাণ বাড়বে বলে আশা করছেন| উপজেলার বেজাই মোড়, বারাইহাট, ফুলবাড়ীসহ পার্শ্ববর্তী কালীহাটে সবচেয়ে বড় আমের বাজার| ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা আম কিনতে এইসব বাজারে আসেন| মৌসুমের শুরুতে প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ২৫ ট্রাক আম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যান বেপারীরা| স্থানীয় আম ব্যবসায়ী জিয়াউল ইসলাম ও বাবু মিয়া বলেন, দিন যাচ্ছে, বাজারে হাঁড়িভাঙা আমের চাহিদাও বাড়ছে| আম ঘিরে ছোট-বড় অনেক ব্যবসার প্রসার ঘটেছে| কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে হাজারো মানুষের|
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষি সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন বলেন, উপজেলা প্রতিবছর হাঁড়িভাঙা আমের চাষ বাড়ছে| লাভ বেশি হওয়ায় লোকজন ধানি জমিতে আমের বাগান করছেন| ৪৬০ হেক্টর জমিতে ৩ লাখ ৫৪ হাজার হাঁড়িভাঙাসহ বিভিন্ন প্রজাতির আমের গাছ আছে| গত বছর ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার আম বিক্রি হয়েছে| এ বছর ১৪ থেকে ১৫ কোটি টাকার বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা আছে| সব মাটিতে এ আমের চাষ করা যায়| তবে এঁটেল ও দো-আঁশ মাটি এই আম চাষের জন্য বেশি উপযোগী| এক একর জমিতে বছরে সব মিলিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকা পাওয়া যায়| মাঝারি প্রতিটি গাছে সার ও কীটনাশক বাবদ বছরে খরচ হয় ৫০০-৬০০ টাকা| পাঁচ বছর বয়সী প্রতিটি গাছের আম বিক্রি করে গড়ে চার হাজার টাকা পাওয়া যায়|