মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
ব্রাহ্মণপাড়া-বুড়িচং-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের দূরত্ব মাত্র ২১ কিলোমিটার। জেলা শহরে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে এখন চালক ও যাত্রীদের প্রধান দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে গতিরোধক বা স্পিড ব্রেকার। পুরো সড়কে ছোট-বড় ও মাঝারি মিলিয়ে অন্তত ৫০টি স্পিড ব্রেকার বসানো হয়েছে। অপরিকল্পিত এসব স্পিড ব্রেকারের কারণে সড়কে গাড়ির গতি কমলেও বাড়ছে ঝাঁকুনি আর দুর্ঘটনা। ফলে জরুরি প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না যাত্রীরা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন নারী ও রোগীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর আগেও এই সড়কে ৩৬টি স্পিড ব্রেকার ছিল। সম্প্রতি সড়কটি সিসি ঢালাই ও পিচ ঢালাইয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন করা হলেও এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে স্পিড ব্রেকারের সংখ্যা। ৩৬টি থেকে বেড়ে এখন তা দাঁড়িয়েছে ৫০টিতে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, সড়ক মসৃণ হওয়ার পর থেকেই সেখানে স্পিড ব্রেকার বসানোর এক ধরনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এ সড়কে চলাচলরত মহিবুল হাসান বলেন"এই সড়কে কোনো বাস সার্ভিস নেই। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকই যাতায়াতের প্রধান ভরসা। এত গতি রোধক আর কোনো সড়কে দেখিনি। ঝাঁকুনির কারণে প্রতিদিন যানবাহন নষ্ট হচ্ছে, দুর্ঘটনা ঘটছে এবং শত শত যাত্রী আহত হচ্ছেন।" চাকরিজীবী আরিফুর হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "২১ কিলোমিটার দূরত্বে এত স্পিড ব্রেকার যে চলাচল করতেই ভয় লাগে। চালকেরা হুটহাট গতি বাড়াতে বা কমাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন। প্রশাসন কোনো নজরদারি না রাখায় প্রতি রাতে কোথাও না কোথাও নতুন স্পিড ব্রেকার তৈরি করা হচ্ছে।"
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অটোরিকশাচালক জানান, ব্রাহ্মণপাড়া থেকে রওনা দেওয়ার পর সাহেবাবাদ কলেজগেট, তালতলা, বারেশ্বর, দড়িয়ারপাড়, পূর্ণমতি, বাগানবাড়ি, বিজয়পাড়া, বুড়িচং (তুলাতলী), খাড়াতাইয়া, ইন্দ্রবতী, মহিষমারা, ইছাপুরা, বড়াসার, কালকারপাড়, মহেশপুর, পালপাড়া, আড়াইওড়া হয়ে শাসনগাছা পর্যন্ত প্রায় ৫০টি স্পিড ব্রেকার পার হতে হয়। এতে কয়েক দিন পরপরই গাড়ি মেরামত করতে হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, আঁকাবাঁকা ও মনোরম পরিবেশের এই সড়কের স্পিড ব্রেকারগুলোতে কোনো রং বা সাদা রঙের সাংকেতিক চিহ্ন নেই। এমনকি স্পিড ব্রেকারগুলোর আগে-পরে কোনো সতর্কবার্তা বা ট্রাফিক সাইন বোর্ডও নেই। সড়কের পাশে কেউ নতুন বাড়ি বা দোকান করলে, নিজের সুবিধামতো একটি স্পিড ব্রেকার বসিয়ে দিচ্ছেন। হাটবাজার, দোকান, এমনকি চায়ের দোকানের সামনেও বিনা বাধায় গতিরোধক বসানো হয়েছে। অবশ্য স্পিড ব্রেকার স্থাপনকারীদের দাবি, দ্রুতগতির গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করে দুর্ঘটনা রোধ করতেই তাঁরা এগুলো বসিয়েছেন। তবে স্থানীয়দের মতে, অপরিকল্পিত এসব কাঠামোর কারণেই উল্টো প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, "ব্যক্তিবিশেষ চাইলেই সড়কে স্পীড ব্রেকার বসাতে পারেন না। সড়ক উন্নয়নের কাজ চলার সময় ঠিকাদারকে চাপ প্রয়োগ করে স্থানীয়রা নিজেদের মনগড়া অনেক অবৈধ স্পিড ব্রেকার বসিয়েছেন। এ ছাড়া রাতের অন্ধকারে দোকান বা বাড়ির সামনেও অবৈধভাবে এগুলো তৈরি করা হয়েছে। সড়ক আইন অনুযায়ী এগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ। এই বিষয়ে আমরা দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।"
ব্রাহ্মণপাড়া-বুড়িচং-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের দূরত্ব মাত্র ২১ কিলোমিটার। জেলা শহরে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে এখন চালক ও যাত্রীদের প্রধান দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে গতিরোধক বা স্পিড ব্রেকার। পুরো সড়কে ছোট-বড় ও মাঝারি মিলিয়ে অন্তত ৫০টি স্পিড ব্রেকার বসানো হয়েছে। অপরিকল্পিত এসব স্পিড ব্রেকারের কারণে সড়কে গাড়ির গতি কমলেও বাড়ছে ঝাঁকুনি আর দুর্ঘটনা। ফলে জরুরি প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না যাত্রীরা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন নারী ও রোগীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর আগেও এই সড়কে ৩৬টি স্পিড ব্রেকার ছিল। সম্প্রতি সড়কটি সিসি ঢালাই ও পিচ ঢালাইয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন করা হলেও এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে স্পিড ব্রেকারের সংখ্যা। ৩৬টি থেকে বেড়ে এখন তা দাঁড়িয়েছে ৫০টিতে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, সড়ক মসৃণ হওয়ার পর থেকেই সেখানে স্পিড ব্রেকার বসানোর এক ধরনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এ সড়কে চলাচলরত মহিবুল হাসান বলেন"এই সড়কে কোনো বাস সার্ভিস নেই। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকই যাতায়াতের প্রধান ভরসা। এত গতি রোধক আর কোনো সড়কে দেখিনি। ঝাঁকুনির কারণে প্রতিদিন যানবাহন নষ্ট হচ্ছে, দুর্ঘটনা ঘটছে এবং শত শত যাত্রী আহত হচ্ছেন।" চাকরিজীবী আরিফুর হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "২১ কিলোমিটার দূরত্বে এত স্পিড ব্রেকার যে চলাচল করতেই ভয় লাগে। চালকেরা হুটহাট গতি বাড়াতে বা কমাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন। প্রশাসন কোনো নজরদারি না রাখায় প্রতি রাতে কোথাও না কোথাও নতুন স্পিড ব্রেকার তৈরি করা হচ্ছে।"
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অটোরিকশাচালক জানান, ব্রাহ্মণপাড়া থেকে রওনা দেওয়ার পর সাহেবাবাদ কলেজগেট, তালতলা, বারেশ্বর, দড়িয়ারপাড়, পূর্ণমতি, বাগানবাড়ি, বিজয়পাড়া, বুড়িচং (তুলাতলী), খাড়াতাইয়া, ইন্দ্রবতী, মহিষমারা, ইছাপুরা, বড়াসার, কালকারপাড়, মহেশপুর, পালপাড়া, আড়াইওড়া হয়ে শাসনগাছা পর্যন্ত প্রায় ৫০টি স্পিড ব্রেকার পার হতে হয়। এতে কয়েক দিন পরপরই গাড়ি মেরামত করতে হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, আঁকাবাঁকা ও মনোরম পরিবেশের এই সড়কের স্পিড ব্রেকারগুলোতে কোনো রং বা সাদা রঙের সাংকেতিক চিহ্ন নেই। এমনকি স্পিড ব্রেকারগুলোর আগে-পরে কোনো সতর্কবার্তা বা ট্রাফিক সাইন বোর্ডও নেই। সড়কের পাশে কেউ নতুন বাড়ি বা দোকান করলে, নিজের সুবিধামতো একটি স্পিড ব্রেকার বসিয়ে দিচ্ছেন। হাটবাজার, দোকান, এমনকি চায়ের দোকানের সামনেও বিনা বাধায় গতিরোধক বসানো হয়েছে। অবশ্য স্পিড ব্রেকার স্থাপনকারীদের দাবি, দ্রুতগতির গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করে দুর্ঘটনা রোধ করতেই তাঁরা এগুলো বসিয়েছেন। তবে স্থানীয়দের মতে, অপরিকল্পিত এসব কাঠামোর কারণেই উল্টো প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, "ব্যক্তিবিশেষ চাইলেই সড়কে স্পীড ব্রেকার বসাতে পারেন না। সড়ক উন্নয়নের কাজ চলার সময় ঠিকাদারকে চাপ প্রয়োগ করে স্থানীয়রা নিজেদের মনগড়া অনেক অবৈধ স্পিড ব্রেকার বসিয়েছেন। এ ছাড়া রাতের অন্ধকারে দোকান বা বাড়ির সামনেও অবৈধভাবে এগুলো তৈরি করা হয়েছে। সড়ক আইন অনুযায়ী এগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ। এই বিষয়ে আমরা দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।"