কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে পুলিশি অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি শামীম ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের (স্বনির্ভর মোড়) এলাকায় এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটককৃতরা হলেন— চরঝাকালিয়া গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিনের ছেলে মো. শামীম মিয়া (৩৫) এবং একই গ্রামের মো. আরমান মিয়া (২০)। অভিযানকালে শীর্ষ মাদক কারবারি শামীমের বসত বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু মারাত্মক দেশীয় অস্ত্র, ১১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ১৮ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নেটওয়ার্ক চালাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিখুঁত অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র বহন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অভিযান শেষে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন:”মাদকের মরণ ছোবল থেকে আমাদের যুবসমাজ ও সমাজকে রক্ষা করতে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে এবং সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদে মাদক আইন সংশোধন করে আরও কঠোর আইন বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে কটিয়াদী থানা পুলিশও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।
তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় হুঙ্কার দিয়ে আরো বলেন, আমি পরিষ্কার ভাষায় সতর্ক করে দিতে চাই— কটিয়াদীর মাটিতে কোনো মাদক কারবারি, গডফাদার কিংবা তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। হয় মাদক ছাড়তে হবে, না হয় কটিয়াদী ছাড়তে হবে; অন্যথায় লোহার গরাদই হবে তাদের শেষ ঠিকানা। মাদকের শিকড় উপড়ে না ফেলা পর্যন্ত আমাদের এই চিরুনি অভিযান অবিরাম চলবে।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে পুলিশি অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি শামীম ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের (স্বনির্ভর মোড়) এলাকায় এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটককৃতরা হলেন— চরঝাকালিয়া গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিনের ছেলে মো. শামীম মিয়া (৩৫) এবং একই গ্রামের মো. আরমান মিয়া (২০)। অভিযানকালে শীর্ষ মাদক কারবারি শামীমের বসত বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু মারাত্মক দেশীয় অস্ত্র, ১১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ১৮ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নেটওয়ার্ক চালাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিখুঁত অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র বহন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অভিযান শেষে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন:”মাদকের মরণ ছোবল থেকে আমাদের যুবসমাজ ও সমাজকে রক্ষা করতে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে এবং সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদে মাদক আইন সংশোধন করে আরও কঠোর আইন বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে কটিয়াদী থানা পুলিশও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।
তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় হুঙ্কার দিয়ে আরো বলেন, আমি পরিষ্কার ভাষায় সতর্ক করে দিতে চাই— কটিয়াদীর মাটিতে কোনো মাদক কারবারি, গডফাদার কিংবা তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। হয় মাদক ছাড়তে হবে, না হয় কটিয়াদী ছাড়তে হবে; অন্যথায় লোহার গরাদই হবে তাদের শেষ ঠিকানা। মাদকের শিকড় উপড়ে না ফেলা পর্যন্ত আমাদের এই চিরুনি অভিযান অবিরাম চলবে।