এম মনির চৌধুরী রানা
বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় দগ্ধ দুই শ্রমিক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তারা হাসপাতালের ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি ছিলেন। নিহত একজন হলেন -বোয়ালখালী উপজেলার দিদারুল আলম (৩২)। তিনি পশ্চিম গোমদণ্ডীর রুহুল আমিনের ছেলে। তার শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
অপরজন পটিয়া উপজেলার হুলাইন গ্রামের মোহাম্মদ নুরুল আলমের (৪৫)। তিনি ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিলেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ১১টায় নিহতদের নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বোয়ালখালী পৌরসভার ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের পশ্চিম গোমদণ্ডীর কনফিডেন্স লবণ কারখানায় বিস্ফোরণে ১১ জন শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে দগ্ধ ১০ শ্রমিক চমেক হাসপাতালে ভর্তি হন। এর মধ্যে দুইজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক আইসিউতে দগ্ধ দুই শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বার্ন ও প্লাস্টিক ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন দগ্ধ শ্রমিকদের মধ্যে পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার বিকেলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিলো।
এর মধ্যে রাতে দুইজন মারা গেছেন। অপর তিনজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। লবণ কারখানায় আগুন লাগার বিষয়টি তাদের কাছে ‘গোপন করা হয়েছে’ জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “আগুন লাগার বিষয়টা আমাদের কেউ কিছু জানায়নি। হাইড করা হয়েছে। আমাদের টিম সেখানে গিয়েও কিছু পায়নি। পরে আমরা শুনলাম, দগ্ধ হয়ে ১০ জন মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন।
বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় দগ্ধ দুই শ্রমিক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তারা হাসপাতালের ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি ছিলেন। নিহত একজন হলেন -বোয়ালখালী উপজেলার দিদারুল আলম (৩২)। তিনি পশ্চিম গোমদণ্ডীর রুহুল আমিনের ছেলে। তার শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
অপরজন পটিয়া উপজেলার হুলাইন গ্রামের মোহাম্মদ নুরুল আলমের (৪৫)। তিনি ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিলেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ১১টায় নিহতদের নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বোয়ালখালী পৌরসভার ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের পশ্চিম গোমদণ্ডীর কনফিডেন্স লবণ কারখানায় বিস্ফোরণে ১১ জন শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে দগ্ধ ১০ শ্রমিক চমেক হাসপাতালে ভর্তি হন। এর মধ্যে দুইজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক আইসিউতে দগ্ধ দুই শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বার্ন ও প্লাস্টিক ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন দগ্ধ শ্রমিকদের মধ্যে পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার বিকেলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিলো।
এর মধ্যে রাতে দুইজন মারা গেছেন। অপর তিনজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। লবণ কারখানায় আগুন লাগার বিষয়টি তাদের কাছে ‘গোপন করা হয়েছে’ জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “আগুন লাগার বিষয়টা আমাদের কেউ কিছু জানায়নি। হাইড করা হয়েছে। আমাদের টিম সেখানে গিয়েও কিছু পায়নি। পরে আমরা শুনলাম, দগ্ধ হয়ে ১০ জন মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন।