অমাবস্যার প্রভাবে বিপৎসীমার ওপরে বরিশাল বিভাগের নদ-নদীর পানি

আপলোড সময় : ১৭-০৭-২০২৬ ০৯:৩৮:৫২ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-০৭-২০২৬ ০৯:৪১:২২ পূর্বাহ্ন
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো:


অমাবস্যার প্রভাবে বরিশাল বিভাগের নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে বিভাগের আটটি প্রধান নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও ঝালকাঠির উপকূলীয় বিভিন্ন নিচু এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত দুই দিন ধরে জোয়ারের সময় কীর্তনখোলা, সুগন্ধা, বিষখালী, তেঁতুলিয়া, মেঘনা-সুরমা, বলেশ্বর, শ্রীমন্ত,সন্ধ্যা ও কঁচা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বিভাগের আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে এবং আগামী দুই দিনের মধ্যে সেগুলোর পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত বরিশাল নগরসংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়া ভোলা, পিরোজপুর,ঝালকাঠী বরগুনা ও পটুয়াখালীর বিভিন্ন নদীতেও পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়ে গেছে।


জাবেদ ইকবাল বলেন, অমাবস্যা এবং বাতাসের গতিবেগ বৃদ্ধির কারণে মঙ্গলবার থেকে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার নদ-নদীর পানি বাড়ছে। তবে এখন পর্যন্ত এ অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এদিকে বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক মিলন হাওলাদার জানান, বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এ কারণে সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত এবং নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। রাহাদ সুমন,বরিশাল তারিখঃ১৬-০৭-২০২৬ইং

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]