খন্দকার এইচ আর হাবিব
মানুষ গড়ার কারিগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক দের বিষয়ে সরকারের দায়িত্ব শীল সংশ্লিষ্ট মহলের উদাসীনতা ও নিষ্ঠুরতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে আর কতকাল অপেক্ষার প্রহর গুনতে হবে? একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের জন্য মাসিক টিফিন ভাতার বরাদ্দ মাত্র দু' শত টাকা। যা গড়ে প্রতিদিনের জন্য মাত্র ৬ টাকা ছেষট্টি পয়সা। অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও সত্য ৬.৬৬ পয়সায় যেখানে এক কাপ চা পাওয়া সম্ভব নয়, আর সেই বরাদ্দ দিয়ে আদৌ কি ক্ষুধা নিবারন সম্ভব? শিক্ষক কে ক্ষুধার্ত রেখে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন দুরাশা মাত্র। দৈনিক ছয় টাকা ৬৬ পয়সা টিফিন ভাতা বরাদ্দ মঞ্জুর কারি সেই কর্মকর্তাগন কোন প্রেক্ষাপটে এমন রোমাঞ্চকর বরাদ্দ অনুমোদন দিয়েছিলেন বোধগম্য নয়। শিক্ষকদের টিফিন ভাতা বাস্তব সন্মত টিফিন উপযোগী ভাতা হওয়া বান্চনীয়, সেই শায়েস্তা খাঁ র আমলের বাজার শুধু গল্পের বইয়ে মানায়। পরিবর্তনের আধুনিক যুগে জীবন যাত্রার মানের সঙ্গে সামজস্য রেখে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী টিফিন ভাতা প্রত্যাহার করে এখন শিক্ষকদের জন্য দুপুরের লাঞ্চ ভাতা প্রদান করা হোক। ৬.৬৬ পয়সা টিফিন ভাতা প্রদান হাস্যকর নির্মমতা ও শিক্ষকগনের সঙ্গে রীতিমত বৈষম্য ছাড়া কিছুই নয়। বর্তমান প্রেক্ষাপট ও বাজার মুল্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে গনতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত শিক্ষক বান্ধব সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বাস্তবতার আলোকে লাঞ্চ ভাতা নির্ধারনে সুদৃষ্টি দিবেন।
লেখক
প্রধান শিক্ষক
মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
পার্বতীপহর, দিনাজপুর
ইমেইল khr.habib2@ gmail.com
মোবাইল ০১৭১২ ৫০৮৯৯৫
তারিখ ১৩/৭/২৬