কে এম সোহেব জুয়েল বরিশাল :
দুই মাস পূর্বে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক রোহিঙ্গা তরুনীকে তিন বছর কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ জুলাই) বরিশালের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম এসএম শরিয়ত উল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেছেন। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার জানিয়েছেন, দন্ডিত রোহিঙ্গা তরুনী হলো কক্সবাজারের টেকনাফ আর/সি নয়াপাড়া এইচ ব্লকের ৬৩১ নম্বর শেডের ৫ ও ৬ নম্বর রুমের মো. তাহেরের কন্যা জাহিদা বেগম (২০)। রায় ঘোষনার সময় সে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী আরও জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৩ মে গভীর রাতে ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে আসা মামুন পরিবহনের একটি বাস নগরীর কলসগ্রাম এলাকায় তল্লাশী করা হয়।
এ সময় বাসে থাকা মায়ানমারের নাগরিক জাহিদা বেগম সন্দেহজনক আচরন শুরু করে। তখন তাকে তল্লাশী করে পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে পাঁচটি প্যাকেটে থাকা এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এয়ারপোর্ট থানার এসআই আল আমিন নাইম বাদী হয়ে একমাত্র জাহিদা বেগমকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।
একই থানার এসআই মো. ছানোয়ার হোসেন মামলা তদন্ত করে জাহিদা বেগমকে অভিযুক্ত করে গত ২৩ জুন আদালতে চার্জশীট জমা দেয়। বিচারক মামলায় সাত জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।
দুই মাস পূর্বে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক রোহিঙ্গা তরুনীকে তিন বছর কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ জুলাই) বরিশালের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম এসএম শরিয়ত উল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেছেন। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার জানিয়েছেন, দন্ডিত রোহিঙ্গা তরুনী হলো কক্সবাজারের টেকনাফ আর/সি নয়াপাড়া এইচ ব্লকের ৬৩১ নম্বর শেডের ৫ ও ৬ নম্বর রুমের মো. তাহেরের কন্যা জাহিদা বেগম (২০)। রায় ঘোষনার সময় সে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী আরও জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৩ মে গভীর রাতে ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে আসা মামুন পরিবহনের একটি বাস নগরীর কলসগ্রাম এলাকায় তল্লাশী করা হয়।
এ সময় বাসে থাকা মায়ানমারের নাগরিক জাহিদা বেগম সন্দেহজনক আচরন শুরু করে। তখন তাকে তল্লাশী করে পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে পাঁচটি প্যাকেটে থাকা এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এয়ারপোর্ট থানার এসআই আল আমিন নাইম বাদী হয়ে একমাত্র জাহিদা বেগমকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।
একই থানার এসআই মো. ছানোয়ার হোসেন মামলা তদন্ত করে জাহিদা বেগমকে অভিযুক্ত করে গত ২৩ জুন আদালতে চার্জশীট জমা দেয়। বিচারক মামলায় সাত জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।