এম মনির চৌধুরী রানা
বোয়ালখালীতে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে মোহাম্মদ মোক্তিয়ার (৪০) নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার কধুরখীলের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের আগে ওইদিন শিক্ষক মোক্তিয়ারের বিরুদ্ধে শিশু আইন ২০১৩-এর ৭০ ধারার অভিযোগ এনে থানায় এজাহার দায়ের করেন শিক্ষার্থীর পিতা মো.ফরিদুল আলম। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জুয়েল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে অভিযুক্ত শিক্ষক মোক্তিয়ারকে আটক করা হয়েছে।
আটক মোক্তিয়ার নগরীর চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকার খাজা রোডের বোচন মিস্ত্রির বাড়ির মো.বখতিয়ারের ছেলে। তিনি কধুরখীলের আল কুরআন একাডেমির মুতাফাররিকা বিভাগের হিসাব রক্ষক ও শিক্ষক। মামলার বাদী নগরীর হালিশহর থানার উত্তর আগ্রাবাদ রঙ্গিপাড়ার রমনা আবাসিকের বাসিন্দা মো. ফরিদুল আলম জানান, তার ছেলে হাফেজ আবদুল্লাহ আল তাওসিফ (১৪) আল কুরআন একাডেমির মুতাফাররিকা বিভাগের শিক্ষার্থী।
তিনি মামলার এজাহারে বলেছেন, গত ৮ জুলাই সকাল ৬টার দিকে শিক্ষক মোক্তিয়ার এক সপ্তাহ আগে অবসরে খেলাধুলার অজুহাতে তাওসিফকে গালিগালাজ করে। এর একপর্যায়ে বেত্রাঘাত, কিল, ঘুষি মেরে তাওসিফকে আহত করে। আহত অবস্থায় তাওসিফকে বিনা চিকিৎসায় রুমে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বন্দি করে রাখা হয়। ওইদিন আসরের নামাজের সময় সুযোগ পেয়ে বাড়িতে চলে আসে তাওসিফ। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে। থানায় এজাহার দায়েরের আগে ঘটনার পরদিন গত ৯ জুলাই বোয়ালখালী থানায় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন মামলার বাদী ফরিদুল আলম।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীকে বেশিমাত্রায় মারধর করায় এই শিক্ষককের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তাকে আটকের পর আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
বোয়ালখালীতে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে মোহাম্মদ মোক্তিয়ার (৪০) নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার কধুরখীলের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের আগে ওইদিন শিক্ষক মোক্তিয়ারের বিরুদ্ধে শিশু আইন ২০১৩-এর ৭০ ধারার অভিযোগ এনে থানায় এজাহার দায়ের করেন শিক্ষার্থীর পিতা মো.ফরিদুল আলম। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জুয়েল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে অভিযুক্ত শিক্ষক মোক্তিয়ারকে আটক করা হয়েছে।
আটক মোক্তিয়ার নগরীর চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকার খাজা রোডের বোচন মিস্ত্রির বাড়ির মো.বখতিয়ারের ছেলে। তিনি কধুরখীলের আল কুরআন একাডেমির মুতাফাররিকা বিভাগের হিসাব রক্ষক ও শিক্ষক। মামলার বাদী নগরীর হালিশহর থানার উত্তর আগ্রাবাদ রঙ্গিপাড়ার রমনা আবাসিকের বাসিন্দা মো. ফরিদুল আলম জানান, তার ছেলে হাফেজ আবদুল্লাহ আল তাওসিফ (১৪) আল কুরআন একাডেমির মুতাফাররিকা বিভাগের শিক্ষার্থী।
তিনি মামলার এজাহারে বলেছেন, গত ৮ জুলাই সকাল ৬টার দিকে শিক্ষক মোক্তিয়ার এক সপ্তাহ আগে অবসরে খেলাধুলার অজুহাতে তাওসিফকে গালিগালাজ করে। এর একপর্যায়ে বেত্রাঘাত, কিল, ঘুষি মেরে তাওসিফকে আহত করে। আহত অবস্থায় তাওসিফকে বিনা চিকিৎসায় রুমে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বন্দি করে রাখা হয়। ওইদিন আসরের নামাজের সময় সুযোগ পেয়ে বাড়িতে চলে আসে তাওসিফ। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে। থানায় এজাহার দায়েরের আগে ঘটনার পরদিন গত ৯ জুলাই বোয়ালখালী থানায় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন মামলার বাদী ফরিদুল আলম।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীকে বেশিমাত্রায় মারধর করায় এই শিক্ষককের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তাকে আটকের পর আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আদালতে পাঠানো হয়েছে।’