রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ১০ বছরের শিশুকে একটি পরিত্যক্ত নির্জন ঘরে নিয়ে গিয়ে হাত-মুখ বেধে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় রিফাত প্রামাণিক (১৮) নামের এক লম্পট ধর্ষক। রবিবার (১২ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বানিয়াকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পলাতক লম্পট ধর্ষক রিফাত ঐ এলাকার আসলামের ছেলে। জানা গেছে, রবিবার সকালের দিকে ধর্ষণের শিকার শিশুটি বাড়ির পাশে একটি মক্তবে পড়তে গিয়েছিল। পড়া শেষ করে প্রবল বৃষ্টির কারণে মক্তবেই ছিলো শিশুটি। শিশুটির সঙ্গে রিফাতের বোনও মক্তবে পড়ে। মক্তব থেকে বোনকে বাড়িতে রেখে আসে রিফাত। পরে আবারও মক্তবে গিয়ে সে ভিকটিম শিশুটিকে মক্তবের পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। পরে এক প্রতিবেশী গোঁঙানির শব্দ পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। স্বজনরা ভুক্তভোগী শিশুকে প্রথমে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে রিফাত। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে কুমারখালী থানায় একটি এজাহার দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন। খুব দ্রুতই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ১০ বছরের শিশুকে একটি পরিত্যক্ত নির্জন ঘরে নিয়ে গিয়ে হাত-মুখ বেধে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় রিফাত প্রামাণিক (১৮) নামের এক লম্পট ধর্ষক। রবিবার (১২ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বানিয়াকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পলাতক লম্পট ধর্ষক রিফাত ঐ এলাকার আসলামের ছেলে। জানা গেছে, রবিবার সকালের দিকে ধর্ষণের শিকার শিশুটি বাড়ির পাশে একটি মক্তবে পড়তে গিয়েছিল। পড়া শেষ করে প্রবল বৃষ্টির কারণে মক্তবেই ছিলো শিশুটি। শিশুটির সঙ্গে রিফাতের বোনও মক্তবে পড়ে। মক্তব থেকে বোনকে বাড়িতে রেখে আসে রিফাত। পরে আবারও মক্তবে গিয়ে সে ভিকটিম শিশুটিকে মক্তবের পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। পরে এক প্রতিবেশী গোঁঙানির শব্দ পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। স্বজনরা ভুক্তভোগী শিশুকে প্রথমে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে রিফাত। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে কুমারখালী থানায় একটি এজাহার দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন। খুব দ্রুতই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।