সংবাদ প্রকাশের পর উদ্যোগ, গোড়কমন্ডলে নির্মাণ হলো ৭০ ফুট বাঁশের সাঁকো

আপলোড সময় : ১৩-০৭-২০২৬ ০১:০১:৫৫ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৩-০৭-২০২৬ ০১:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-


কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোড়কমন্ডল এলাকায় বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়কের দুর্ভোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দ্রুত উদ্যোগ নেয় ফুলবাড়ী উপজেলা প্রশাসন। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে প্রায় ৭০ ফুট দীর্ঘ একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল থেকে সাঁকোটি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলে প্রায় দুই সপ্তাহের দুর্ভোগ কাটিয়ে অন্তত ৫০০ পরিবারের মানুষের যাতায়াত সাময়িকভাবে স্বাভাবিক হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, সাম্প্রতিক বন্যায় ধরলা নদীর তীব্র স্রোতে গ্রামীণ সড়কের একটি অংশ ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এতে গোড়কমন্ডল গ্রামের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ, ফুলবাড়ী উপজেলা সদর ও কুড়িগ্রাম জেলা শহরের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন কোমরসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হয় গ্রামবাসীকে।


এলাকাবাসী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটিই ওই এলাকার মানুষের একমাত্র যোগাযোগের পথ। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে সমস্যাটি। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলে মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে। স্থানীয় কৃষক মোঃ মনোয়ার হোসেন বলেন, “সাঁকো নির্মাণ হওয়ায় এখন মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারছে। মোটরসাইকেল, সাইকেল ও রিকশাভ্যানও চলাচল করছে। তবে মালবোঝাই কোনো যানবাহন চলতে পারছে না। তাই কৃষিপণ্য বাজারে নিতে এখনো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।


পানি নেমে গেলে দ্রুত স্থায়ীভাবে সড়কটি সংস্কার করা হোক—এটাই আমাদের দাবি।” কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী বলেন, বন্যায় সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়ার পর বিষয়টি ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়। তাঁর নির্দেশনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের উদ্যোগে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছে।



ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ দিলারা আক্তার বলেন, গ্রামবাসীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। পানি নেমে গেলে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কার অথবা সেখানে সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]