মোস্তফা মিয়া, পীরগঞ্জ প্রতিনিধি।
পীরগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত ও জনবান্ধব হোক। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নের ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। তবে স্থানীয় জনগণের মতে, শুধু শয্যা বৃদ্ধি করলেই কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে না; এর সঙ্গে প্রয়োজন পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ। বর্তমানে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকটের কারণে অনেক রোগী কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
তাই শয্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনবল কাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। অন্যদিকে খালাশপীর, চতরা ও মাদারগঞ্জের ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবিও জোরালো হচ্ছে। এসব কেন্দ্র কার্যকর হলে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য হবে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর রোগীর চাপ কমবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করে স্বাস্থ্যখাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান করবেন।
উন্নয়নের প্রকৃত সাফল্য তখনই দৃশ্যমান হবে, যখন প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষও সহজে, দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার নিশ্চিত করতে পীরগঞ্জের স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজন আরও কার্যকর পদক্ষেপ, সুপরিকল্পিত উদ্যোগ এবং জনমুখী বাস্তবায়ন।
পীরগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত ও জনবান্ধব হোক। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নের ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। তবে স্থানীয় জনগণের মতে, শুধু শয্যা বৃদ্ধি করলেই কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে না; এর সঙ্গে প্রয়োজন পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ। বর্তমানে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকটের কারণে অনেক রোগী কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
তাই শয্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনবল কাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। অন্যদিকে খালাশপীর, চতরা ও মাদারগঞ্জের ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবিও জোরালো হচ্ছে। এসব কেন্দ্র কার্যকর হলে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য হবে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর রোগীর চাপ কমবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করে স্বাস্থ্যখাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান করবেন।
উন্নয়নের প্রকৃত সাফল্য তখনই দৃশ্যমান হবে, যখন প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষও সহজে, দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার নিশ্চিত করতে পীরগঞ্জের স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজন আরও কার্যকর পদক্ষেপ, সুপরিকল্পিত উদ্যোগ এবং জনমুখী বাস্তবায়ন।