টানা বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণপাড়ার সবজি বাজারে আগুন, কাঁচা মরিচ ও টমেটোর দামে মাথায় হাত ক্রেতাদের

আপলোড সময় : ১২-০৭-২০২৬ ০২:০০:১০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১২-০৭-২০২৬ ০২:০২:১৪ অপরাহ্ন
মোঃ অপু খান চৌধুরী।।

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণপাড়ায় শাকসবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বাজারে এসে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। গতকাল শনিবার ব্রাহ্মণপাড়া সদর সাপ্তাহিক বাজারের দিন ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বাজারে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়, গাজর ১৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা এবং বেগুন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস জালি কুমড়া ৪০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা, কাঁচ কলার হালি ৫০ টাকা, ছড়া ৬০ টাকা এবং পটল ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচ ও শিমের দাম।


বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়। আর কয়েকদিন আগে যে কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা কেজি ছিল, তা এখন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। বাজারে তরকারি কিনতে আসা আজাদ মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "কাঁচা মরিচ কিনতে আসলাম, এক পোয়ার (২৫০ গ্রাম) দাম চায় ৭০ টাকা! অথচ গত সপ্তাহখানেক আগেও এক পোয়া কিনেছি ২০ টাকায়। মরিচ কিনতে এসে তো আমার মাথায় হাত। শুধু মরিচই না, অন্যান্য সবজির দামও দ্বিগুণ হয়ে গেছে। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের টিকে থাকাই দায়।" হঠাৎ দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে খুচরা তরকারী বিক্রেতা নাজির হোসেন বলেন, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে সবজির জমি তলিয়ে গেছে। খেতেই বেশিরভাগ তরকারি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কম। পাইকারি বাজারেই আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। আরেক ব্যবসায়ী আবু সায়েম বলেন, আমাদের কেনা বেশি, তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। দাম বাড়লেও আমাদের লাভ তো আগের মতোই আছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে দাম কমার সম্ভাবনা কম। বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্রাহ্মণপাড়া সদর বাজারের সভাপতি হাজী মোয়াজ্জেম হোসেন দুলাল বলেন, "টানা বৃষ্টির কারণে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় সাময়িকভাবে দাম বেড়েছে। তবে কোনো ব্যবসায়ী যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা লুটতে না পারে, সেদিকে আমাদের নজরদারি রয়েছে।" কৃষি ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবদুল মতিন বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে উপজেলার বেশ কিছু নিচু এলাকার সবজি খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতার কারণে সবজি পচে গেছে। আমরা কৃষকদের খেতের পানি নিষ্কাশনসহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। আবহাওয়া দ্রুত স্বাভাবিক হলে বাজারে সবজির সরবরাহ আবার বাড়বে এবং দামও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]