নিজস্ব প্রতিনিধি
পঞ্চগড পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১ নং অমরখানা ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে একটি পরিচিত ও আস্থার নাম মোঃ আবু মাযেদ সরকার মুকুট। তিনি শুধু একজন সম্ভাব্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীই নন, বরং একজন মানবিক ও জনকল্যাণমুখী ব্যক্তিত্ব হিসেবেও এলাকায় সুপরিচিত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ১ নং অমরখানা ইউনিয়ন শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়ায় গিয়ে অসহায় পরিবার, বয়স্ক ব্যক্তি, অসুস্থ রোগী এবং আর্থিক সংকটে থাকা মানুষের খোঁজখবর নেন। অনেকের বাড়িতে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন, সমস্যার কথা শোনেন এবং সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তার এই মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয়দের মতে, আবু মাযেদ সরকার মুকুটের জনসেবামূলক মানসিকতার পেছনে রয়েছে তার পারিবারিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ। বিশেষ করে তার পিতা মরহুম আব্দুল জলিল সরকার ছিলেন অমরখানা ইউনিয়নের একজন সুনামধন্য ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছিলেন।
এলাকার প্রবীণরা জানান, মরহুম আব্দুল জলিল সরকার শুধু একজন জনপ্রতিনিধিই ছিলেন না, তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থল। যে কোনো সমস্যায় মানুষ তার কাছে ছুটে যেত এবং তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে সমাধানের চেষ্টা করতেন। ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় তার অবদান আজও এলাকাবাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। স্থানীয়দের দাবি, আবু মাযেদ সরকার মুকুট তার পিতার সেই আদর্শ ও জনসেবার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকা, অসহায়দের সহায়তা করা এবং এলাকার উন্নয়ন নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে ক্রমেই আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। এ বিষয়ে মোঃ আবু মাযেদ সরকার মুকুট বলেন, “আমার পিতা মরহুম আব্দুল জলিল সরকার মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। জনগণের ভালোবাসাই ছিল তার সবচেয়ে বড় সম্পদ। আমি তার আদর্শকে অনুসরণ করে মানুষের সেবা করতে চাই। মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, জনগণের পাশে থাকাই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।” তার এই মানবিক কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ত উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
তারা মনে করেন, জনগণের পাশে থেকে কাজ করার এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে অমরখানা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তারা মরহুম আব্দুল জলিল সরকারের অবদান স্মরণ করে বলেন, একজন জনদরদী পিতার উত্তরসূরি হিসেবে আবু মাযেদ সরকার মুকুটও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, যা এলাকাবাসীর জন্য
পঞ্চগড পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১ নং অমরখানা ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে একটি পরিচিত ও আস্থার নাম মোঃ আবু মাযেদ সরকার মুকুট। তিনি শুধু একজন সম্ভাব্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীই নন, বরং একজন মানবিক ও জনকল্যাণমুখী ব্যক্তিত্ব হিসেবেও এলাকায় সুপরিচিত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ১ নং অমরখানা ইউনিয়ন শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়ায় গিয়ে অসহায় পরিবার, বয়স্ক ব্যক্তি, অসুস্থ রোগী এবং আর্থিক সংকটে থাকা মানুষের খোঁজখবর নেন। অনেকের বাড়িতে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন, সমস্যার কথা শোনেন এবং সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তার এই মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয়দের মতে, আবু মাযেদ সরকার মুকুটের জনসেবামূলক মানসিকতার পেছনে রয়েছে তার পারিবারিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ। বিশেষ করে তার পিতা মরহুম আব্দুল জলিল সরকার ছিলেন অমরখানা ইউনিয়নের একজন সুনামধন্য ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছিলেন।
এলাকার প্রবীণরা জানান, মরহুম আব্দুল জলিল সরকার শুধু একজন জনপ্রতিনিধিই ছিলেন না, তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থল। যে কোনো সমস্যায় মানুষ তার কাছে ছুটে যেত এবং তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে সমাধানের চেষ্টা করতেন। ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় তার অবদান আজও এলাকাবাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। স্থানীয়দের দাবি, আবু মাযেদ সরকার মুকুট তার পিতার সেই আদর্শ ও জনসেবার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকা, অসহায়দের সহায়তা করা এবং এলাকার উন্নয়ন নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে ক্রমেই আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। এ বিষয়ে মোঃ আবু মাযেদ সরকার মুকুট বলেন, “আমার পিতা মরহুম আব্দুল জলিল সরকার মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। জনগণের ভালোবাসাই ছিল তার সবচেয়ে বড় সম্পদ। আমি তার আদর্শকে অনুসরণ করে মানুষের সেবা করতে চাই। মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, জনগণের পাশে থাকাই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।” তার এই মানবিক কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ত উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
তারা মনে করেন, জনগণের পাশে থেকে কাজ করার এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে অমরখানা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তারা মরহুম আব্দুল জলিল সরকারের অবদান স্মরণ করে বলেন, একজন জনদরদী পিতার উত্তরসূরি হিসেবে আবু মাযেদ সরকার মুকুটও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, যা এলাকাবাসীর জন্য